একজনকেও যেন এভাবে পুড়ে মরতে না হয়: নানক

ধানমন্ডির সাত মসজিদ রাস্তার দুপাশে গড়ে ওঠা ছোটবড় রেস্তোরাঁগুলোর অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 2 March 2024, 11:10 AM
Updated : 2 March 2024, 11:10 AM

বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নড়েচড়ে বসার তাগিদ দিয়েছেন পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।

তার ভাষ্য, “একটি মানুষকেও যাতে আর এভাবে আগুনে পুড়ে মরতে না হয় সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

শনিবার রাজধানীর লালমাটিয়া মহিলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন নানক।

সে সময় ধানমন্ডির সাত মসজিদ রাস্তার দুপাশে গড়ে ওঠা ছোটবড় রেস্তোরাঁগুলোর অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

নানক বলেন, “বেইলি রোডের ওই ভবনে আগুন লাগার পর থেকে আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছে ধানমন্ডির সাত মসজিদ রোডটি। যেখানে ব্যাঙের ছাতার রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। এসব রোস্তোরাঁয় আগুন প্রতিরোধের কোনো ব্যবস্থা আছে বলে আমার জানা নেই। কাজেই আমি বলেছি, সংশ্লিষ্ট সকলকে নড়েচড়ে বসা দরকার।”

বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা সে বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে বলে নানক জানান।

তিনি বলেন, “তদন্তের পর আসল ঘটনা কী, বের হবে। তবে আমি বলব, যারা ওই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আছেন, রেস্তোরাঁ মালিক থেকে শুরু করে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।”

রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “শুধু মুনাফাই করবেন মানুষের জীবনকে এভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়ে, এটা মেনে নেয়া যেতে পারে না। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা সব প্রতিষ্ঠানে থাকতে হবে। এই ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করতে হবে।”

‘দেশে আইনের শাসন নেই বলে বেইলি রোডেরে আগ্নিকাণ্ডের মত ঘটনা ঘটে’- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের জবাবে নানক বলেন, “আসলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, সব কিছুর বিরোধিতা করা। নিজের দায়িত্ব পালন না করে সরকারের সমালোচনা ও বিরোধিতা করা তাদের একটি অভ্যাস।”

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এত বড় একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল, তারা কী তাদের দায়িত্ব পালন করেছে? করেনি। তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়নি। এখন পর্যন্ত যারা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সেখানে বিএনপির কেউ যায়নি। যারা নিহত হয়েছে তাদের প্রতি বিএনপি কোনো সহানুভূতিও জানায়নি। আসলে বিএনপি উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চড়িয়ে দিয়ে তাদের সমস্ত দায়-দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চায়।”