Published : 21 Dec 2025, 08:24 PM
অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে একটি ‘অপশক্তির উত্থান’ দেখার কথা তুলে ধরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গত কয়েকদিনের ঘটনাপ্রবাহে সেই শক্তির ‘স্বরূপ’ স্পষ্ট হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার ওপর জোর দিয়ে গণমাধ্যমের ‘সর্বাত্মক সহযোগিতা’ চেয়েছেন তিনি।
রোববার সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রধানদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সালাহ উদ্দিন বলেন, “যে অপশক্তির উত্থান সবাই এখানে আজকে বলেছেন, মতি ভাই (প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান) প্রকাশ্যে বলেছেন, সেই অপশক্তিরের উত্থানটা আমরা লক্ষ্য করেছি। বিশেষ করে ৫ অগাস্টের পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত ।
“সেটার একটা স্বরূপ, চেহারা এবং কর্ম গত কয়েকদিন আমরা লক্ষ্য করেছি, প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং জাতীয় ঐক্যকে ধরে রাখতে হবে এবং জাতীয়ভাবে আমাদের সবাই এ বিষয়টাতে যাতে সচেতন হতে পারি, সে বিষয়ে আপনাদের সংবাদপত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
বৃহস্পতিবার রাতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্ববায়ক শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে কারওয়ান বাজারে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার ও দৈনিক প্রথম আলোর কার্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পরে ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবনেও হামলা হয়। সেখানেও ভাঙচুর-লুটপাট চালিয়ে আগুন দেওয়া হয়। এছাড়া চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভ থেকে ঢিল ছোড়া হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা সামনে রেখে রোববার ঢাকার র্যাডিসন ব্লু, ওয়াটার গার্ডেনে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও নির্বাহী প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বিএনপি, স্বাভাবিকভাবেই দুটি পত্রিকার কার্যালয়ে হামলার বিষয়টি সেখানে আলোচনায় প্রধান্য পায়।
সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সামনে রেখে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এখন জাতীয় স্বার্থে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য আপনাদের সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন, এছাড়া হবে না।”
পরে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদদু আলমগীর পাভেল বক্তব্য দেন।
যায় যায় দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান বলেন. “সাংবাদিকদের দায়িত্ব সমালোচনা করা… ঠিক আছে, কিন্তু প্রশংসা করাও তাদের দায়িত্ব, এটা আমার মনে রাখতে হবে। আমি যখন আবার ফিরে পেলাম যায় যায় দিন, আমি সম্পাদকীয় বিভাগকে বলেছি, তোমরা খেয়াল রাখবে, একটা ছোটখাটো প্রশংসার কাজও যদি হয়, ব্যক্তিগতভাবে, সরকারিভাবে, ওই কথাটা সম্পাদকীয়তে লিখবে। খালি সমালোচনা করো না।
“সাংবাদিকদের দায়িত্ব কিন্তু প্রশংসা এবং সমালোচনা দুটোই করা । আপনাদের অনুরোধ করছি, সাংবাদিক হয়ে যাওয়া মানে ফ্রি লাইসেন্স পেয়ে যাওয়া সরকারের সমালোচনা করা ইউনূস সাহেবের সমালোচনা–এটা কিন্তু নয়। আমি কিন্তু সরকারকে টেনেই বলছি।”
তিনি বলেন, “এখানে আমি মাহফুজ সাহেবের (ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম) একটা কথা বলতে চাই…উনি চলে গেছেন। আশা করি তার সহযোগী মিস্টার মতিউর রহমান আমার কথাটা তার কাছে পৌঁছে দেবেন। তিনি বলেছেন যে, সাংবাদিক ভুল করতে পারে। ধন্যবাদ এই কথাটা বলার জন্য।
“সরকারও ভুল করতে পারে, সাংবাদিকও ভুল করতে পারে। কিন্তু তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে এই ভুলটা স্বীকার করার সাহস থাকতে হবে। মতিউর রহমানকে জানিয়ে দিতে চাই, তিনি যেন মাহফুজকে বলেন, আমি তাকে অতি বিনয়ী আখ্যা দিচ্ছি। কেননা তিনি বিশাল ভুল করেছিলেন ওয়ান ইলেভেন হওয়ার পরে। এবং সেই ভুল তিনি কিন্তু টেলিভিশনে সকলের সামনে স্বীকার করেছিলেন। থ্যাংক ইউ মিস্টার মাহফুজ আনাম।”
প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, “আমি মনে করি দেশে একটা রাজনৈতিক শূন্যতা রয়েছে, চলছে… এটা বিপদজনক এবং সেটা বিএনপির জন্যও কিছুটা কঠিন অবস্থা।
“আমি সবসময় ভাবতাম বা এখনো মনে করি যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেশ একটু আগে যদি আসতে পারতেন তাহলে হয়ত বিএনপি এবং দেশের মধ্যে একটা ভালো সুবিধাজনক অবস্থা তৈরি হতে পারত। উনার অনুপস্থিতিটা কিছুটা আপনাদের জন্য প্রশ্ন তৈরি করেছে, নানা রকম বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার সুযোগ হয়েছে। সেটা আপনাদের জন্য নেতিবাচক হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে।”
মতিউর রহমান বলেন, “এই একটা বছর বা ১৫টা মাস ধরে বিএনপির সকল কর্মকাণ্ড নানা স্তরে নানাভাবে নানা ক্ষেত্রে যেভাবে হয়েছে, যতটুকু জানি বা যতটুকু জানি না, সেটুকু কিন্তু বিএনপির জন্য খুব ভালো হয়নি। সেগুলো এখনো সংশোধন করার, ভালো করার সুযোগ সম্ভাবনা আছে।”

তিনি বলেন, “আপনাদের দলটা অনেক বড়, বৃহৎ; এবং আমি মনে করি এখন পর্যন্ত বিএনপি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দল, এটা স্বীকৃত। আর আমাদের জরিপ যেটা করেছি, আমরা এটা বিশ্বাস করি যে জরিপ এটা মোটামুটি সত্যের কাছাকাছি বা মানুষের চিন্তা জগতের কাছাকাছি, সেখানে বিএনপি কিন্তু বৃহত্তম দল হিসেবে এসছে এবং নির্বাচনে অনেক বেশি ভোট পেয়ে তারা বিজয়ী হবেন।
“আমরা এটা বিশ্বাস করতে চাই বা এটা হয়ত আমরা ভাবতে পারি যে, আপনারা ক্ষমতায় আসছেন। ক্ষমতায় আসছে যে দল, সে দলের নেতৃত্ব সে দলের সকল পর্যায়ের নেতৃত্ব, কর্মী বাহিনীর সকল কর্মকাণ্ডের মধ্যে, আচরণে বিনয়, সৌজন্য ও ভদ্রতার অনেক বেশি প্রতিফলিত হওয়া দরকার।”
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের হামলা-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সকল রাজনৈতিক দল, শ্রেণি-পেশার মানুষ পাশে দাঁড়ানোয় কতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মতিউর রহমান।
ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, “আপনারা প্লিজ মনে রাখবেন যে বাংলাদেশের ৫৩ বছর বয়সে কোনো মিডিয়া অফিস আগুন জ্বালানো হয় নাই। সর্বপ্রথমবারের মতন প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের অফিসে আগুন জ্বালানো। কেন? আমরা কি অপরাধ করলাম? আমি এটা অনুরোধ করব সমস্ত মিডিয়াকে যে সত্যিকার অর্থে আপনারা এটা প্রশ্ন করবেন।
“তবে ভবিষ্যতের দিকে আমি তাকাতে চাই। সুন্দর একটি সম্পর্ক আমি মিডিয়ার সঙ্গে তুলতে চাই। সেখানে আমার অনুরোধ থাকবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা হচ্ছে স্টেপ ওয়ান। এটা রাজনৈতিক দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হবে। মানে কি বলব, ক্রিটিক্যাল মত প্রকাশের স্বাধীনতা। মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে, কিন্তু আপনার আমি সমালোচনা করব, সেইটা স্বাধীনতা।”
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনকে ডেইলি স্টার সম্পাদক বলেন, “এখন সালাউদ্দিন ভাই ইউ আর ভেরি ফ্রেন্ডলি টু মিডিয়া বিকজ আপনি ক্ষমতায় নেই। ক্ষমতায় গেলে আপনি কেমন হবেন সেটা আমরা যখন দেখব, যে আপনি একইরকম উদার, একই রকমভাবে আপনি গ্রহণ করছেন সমালোচনা…।
“আমাদের এই ৫৩ বছরের রাজনীতিতে বড় অভিজ্ঞতা হল যে, কোনো সরকার কোনো দিন তারা ক্রিটিক্যাল জার্নালিজম একসেপ্ট করে নাই।”
মাহফুজ আনাম বলেন, “আমি আশা করব, নতুন বাংলাদেশে এই ক্রিটিক্যাল জার্নালিজম আপনারা নেবেন এবং সেখানে আমি বলব যে, ক্রিটিক্যাল নট অনলি ফর ফ্রিডম অফ জার্নালিজম, ইট ইজ আ চান্স ফর গুড গভারনেন্স। আপনি স্বাধীন সাংবাদিকতাকে নারচার করবেন, অবশ্যই আমাদের ইন্টেস্ট, কিন্তু আমরা যদি সত্য কথা শুনতে না চাই , এটা হবে বড় ভুল “

তিনি বলেন, “আমার অনুরোধ থাকবে যে, নতুন যে বাংলাদেশ আমরা চাচ্ছি, আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে যেটা ভবিষ্যৎ দেখছি, সেখানে যেন ক্রিটিক্যাল জার্নালিজম, ইনডিপেনডেন্ট মিডিয়া থাকে।”
মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, “একটা অস্থির সময়, কঠিন সময়। দেশটা দুভাগে বিভক্ত। বিভাজনের মধ্যে কথা বলাও খুব ডিফিকাল্ট। তবে আজকের এই অনুষ্ঠানে এসে আমার খুবই ভালো লেগেছে।
“আগামী দিনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে মিডিয়া পলিসি কী হবে, জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ, জনাব রিজভী আহমেদ দুইজনের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট ।আমি খুবই আশাবাদী হতে চাই যে, আগামী দিনে যদি এর শিকি ভাগও বাস্তবায়িত হয়, মিডিয়া পলিসি যেটা বলা হয়েছে, তারা যদি সেটা বাস্তবায়ন করেন, তাহলেই বোধহয় বাংলাদেশের মিডিয়া সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।”
তিনি বলেন, “অনেক চ্যালেঞ্জ সামনে। তারেক রহমান এমন এক সময় আসছেন যখন বাংলাদেশের সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিরাপত্তা। মানুষ নিজেকে নিরাপদ ভাবতে চায়। কিন্তু মানুষ কিন্তু এখন নিরাপদ ভাবতে পারছে না।
“চারদিকের পরিস্থিতি যেদিকে যেভাবে যাচ্ছে, আমরা যখন কথা বলছি, এখন ঢাকা ময়মনসিং মহাসড়ক অবরোধ, দিল্লিতে আমাদের হাই কমিশনারের বাসভবনে হামলা হয়েছে, আক্রান্ত হয়েছে প্রহরীরা… চারদিকে কিন্তু আমি খবরাখবর যা দেখছি, ডেইলি স্টার, প্রথম আলোর ওপর হামলা হল, এরপরে কী হবে কেউ জানে না ।”
মতিউর রহমান চৌধুরী “সেই কারণ এই অবস্থায় বিএনপির কাছে মানুষের প্রত্যাশা সবচাইতে বেশি। বিএনপি মানুষের পাশে থাকবে, তারেক রহমান আসবেন, তারেক রহমান সেই প্রতিশ্রুতি দেবেন, সেটা আমি জানি।
“আমরা সবাই নিরাপদ থাকতে চাই, লিখতে চাই, আমাদের কথা বলতে দিন। আপনারা যদি এটা নিশ্চিত করেন সাধুবাদ জানাব। আর না হলে আবারো হয়ত আমরা আপনাদের সমালোচনা করব, কিন্তু এই সমালোচনা যেন হঠকারিতায় পরিণত না হয়, সেই দিকটাও আমাদের দেখতে হবে।”
তিনি বলেন, “আগামী দিনে চ্যালেঞ্জ যেটা আসছে, সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কিন্তু বিপন্ন হতে পারে। আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধ না হই, রাষ্ট্র বিপন্ন হয়ে যাবে। সেই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব যদি বিপন্ন হয়ে যায়, তাইলে আমরা কেউই থাকব না। আগামী দিনের সুন্দর ভবিষ্যৎ, তারেক রহমানের আগমনকে আমি শুভেচ্ছা জানাই। আমি মনে করি, তিনি এলে বাংলাদেশের চেহারা হয়তবা পাল্টে যাবে।”
সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান, ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর কামাল আহমেদ বলেন, “কৌতুক করার অধিকার মানুষকে দিতে হবে। তারেক রহমানের আমি প্রশংসা করি এই কারণে যে, তিনি একটি দিকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, প্রথমে একটি কার্টুন শেয়ার করেছিলেন, নিজের ছবি নিয়ে কার্টুন, যেটা উনি শেয়ার করেছিলেন স্বৈরাচারের পতনের পর।
“ভবিষ্যতে যাতে আরো কার্টুন হয় এবং সেই কার্টুন হওয়ার, কৌতুক করার সুযোগটা যাতে থাকে। আপনাদের মাঠ পর্যায়ের সমর্থকরা কিংবা মধ্যম সারি, নিম্ন সারির নেতারা যেন তেড়ে না আসেন, সেটাও আপনাদের তাদেরকে শেখাতে হবে।

“আর নিরাপত্তা সংস্থা থেকে ফোন করে বলা হবে যে কোন টকশোতে কাকে ডাকা হবে–এই চর্চাটা যেন বন্ধ হয়।”
তিনি বলেন, “খুবই আশার কথা যে ১৭ বছর বা ১৮ বছরের প্রবাসী জীবন থেকে বা নির্বাসিত জীবন থেকে বিএনপির প্রধান তারেক রহমান, তিনি আসছেন। তিনি তার এই পুরো নির্বাসিত জীবনটা যুক্তরাজ্যে কাটিয়েছেন। ব্রিটেনের গণতন্ত্র কেমন করে কাজ করে, সেটা তার খুব কাছে থেকে দেখার সৌভাগ্য হচ্ছে। সেখানে গণতন্ত্র কীভাবে কাজ করে, বিশেষ করে পত্রিকা, সেটাও তার দেখার সুযোগ হয়েছে। আমরা আশা করব যে তিনি সেটা এখানে প্রয়োগের সুযোগটা করে দেবেন। আমরা সেটা চর্চা করতে চাই।”
নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি একে আজাদ, ইনকিলাবের সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ইউএনবির সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, যমুনা টিভির প্রধান নির্বাহী ফাহিম আহমেদ, বাসসের চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীন যোগ দেন মত বিনিময়ে।
সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মধ্যে আরো ছিলেন নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, দি সান এর রেজাউল করিম লোটাস, নয়া দিগন্তের মাসুদুর রহমান খলিলী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের মনজুরুল ইসলাম, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জহিরুল আলম, বাসসের মাহবুব মোর্শেদ, আমার দেশ এর সৈয়দ আবদাল আহমেদ, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, জনকণ্ঠের খোরশীদ আলম, প্রতিদিনের বাংলাদেশ মারুফ কামাল খান, বাংলা বাজারের রাশেদুল হক, বাংলা নিউজের তৌহিদুর রহমান মিঠু, ইটিভির আবদুস সালাম, ডিবিসির লোটন ইকরাম, বাংলা ভিশনের আবদুল হাই সিদ্দিকী।

এছাড়া এসএ টিভির মাহমুদ আল ফয়সাল, এনটিভির ফখরুল ইসলাম কাঞ্চন, বৈশাখী টিভির জিয়াউল কবির সুমন, একাত্তর টিভির শফিক আহমেদ, ইনডিপেনডেন্ট টিভির মোস্তফা আকমল, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের রেজানুল হক রাজা, নাগরিক টিভির এরফানুল হক নাহিদ, জিটিভির গাউসুল আজম বিপু, এটিএন নিউজের শহীদুল আজম, দেশ টিভির মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এখন সময়ের তুষার আবদুল্লাহ, নিউ এজের শহীদুজ্জামান, যুগান্তরের নির্বাহী সম্পাদক এনাম আবেদীন, আমাদের সময়ের নজরুল ইসলাম, স্টার নিউজের ওয়ালিউল মিরাজ, ঢাকা পোস্টের কামরুল ইসলাম, ঢাকা মেইলের হারুন জামিল, বিবিসির কাদির কল্লোল, এটিএন বাংলার হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শরীফুল ইসলাম খান, মোহনা টিভির এম এ মালেক, গ্রিন টিভির মাহমুদ হাসান, দীপ্ত টিভির এএম আকাশ, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, রাজনৈতিক বিশ্লেষক আশরাফ কায়সার, উপস্থাপক আবদুর নূর তুষার, কাজী জেসিন, সাংবাদিক এম এ আজিজ, মহিউদ্দিন খান মোহন, জাহিদুর রহমান রনি, নিউজ টোয়েন্টিফোরের ডিএমডি গিয়াস উদ্দিন রিমন, শীর্ষ নিউজের একরামুল হকসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান ইসমাইল জবিহ উল্লাহ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়া উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কেন্দ্রীয় নেতা মাহাদী আমীন, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আতিকুর রহমান রুমন, মীর হেলাল, মোর্শেদ হাসান খান, শাম্মী আখতার, শায়রুল কবীর খান, মাহমুদা হাবিবা, ফারজানা শারমিন পুতুল, শামসুদ্দিন দিদার, খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম শামসুর ইসলাম মতবিনিময় সভায় উপস্থিতি ছিলেন।