৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

প্রশ্নটি স্বাস্থ্য ও জীবন নিয়ে; কিন্তু রাষ্ট্র কী করছে? 

শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন

Published : 27 Apr 2020, 05:41 PM

Updated : 01 Jul 2022, 05:36 PM

ধর্ম, বর্ণ, ও ধনী-গরিব নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের বেঁচে থাকার জন্য স্বাস্থ্যবান একটি শরীর যেমন প্রয়োজন; তেমনি প্রয়োজন সুস্থ ও সুন্দর একটি মন। এ দু'টি ছাড়া জীবনকে বহন করা যায়, কিন্তু যাপন করা যায় না অর্থপূর্ণ জীবন। পূর্ণ মানবিক মর্যাদা নিয়ে অর্থপূর্ণভাবে বেঁচে থাকাই মানব জীবনের লক্ষ্য; এ লক্ষ্য পূরণে অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান, শিক্ষা, অর্থ, রাজনীতি, সমাজ, সুস্থ পারিপার্শ্বিকতা ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি দরকার, সেটি হচ্ছে স্বাস্থ্য। এই স্বাস্থ্য মানে চারপেয়ে জন্তুর মত খাওয়া-যৌনতা ও সন্তান প্রসব করা নয়; বা জন্ম গ্রহণ করে হাতড়ে হাতড়ে জীবন বহন করে একদিন টুপ করে মরে যাওয়াও নয়। এই স্বাস্থ্য মানে মানুষের সুস্থ, প্রাণবন্ত, ও নীরোগ শরীর; এবং হাসি-খুশি, মানবিক ও সংবেদনশীল একটি মন।

মানুষের শরীর সুস্থ ও রোগ-প্রতিরোধী হলে অমরা বলি যে, শারীরিক স্বাস্থ্য ঠিক আছে; আর মন যদি হাসখুশি থাকে, সেটি হয় মানবিক বোধে উচ্চকিত ও সংবেদী, তাহলে আমরা বলি যে, মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক আছে। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থতায় ও ভারসাম্যে ব্যক্তির সুষম স্বাস্থ্য গড়ে ওঠে। আর যখন একটি সমগ্র জনগোষ্ঠীর বা একটি রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বলা হয়, তখন আমরা সেটিকে বলি 'পাবলিক হেলথ' বা জনস্বাস্থ্য।

দুই.

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) তান্ডব সারাবিশ্বকে তছনছ করে দেওয়ার এই কঠিন সময়ে পৃথিবীর চিন্তাশীল মানুষ, গবেষক ও বিশ্লেষকেরা প্রশ্ন তুলেছেন যে, জনস্বাস্থ্যকে যে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল, বাজেটে জনস্বাস্থ্যকে সুরক্ষিত ও নিরাপদ রাখার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করা উচিত ছিল, সকল রাষ্ট্র কি সেটা করেছে? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মর্মান্তিক ও ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর সারা বিশ্বের সচেতন মানুষ বুঝতে পারলেন যে, এমন এক নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যার কেন্দ্রে থাকবে মানবাধিকার তথা অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সুরক্ষা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘের গঠন, ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল এবং টোকিও ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে জার্মান ও জাপানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক জেনোসাইড কনভেনশন, সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণা এবং ৪টি আইসিআরসি কনভেনশন গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক পলিসি প্লেয়াররা একটি অনন্য উচ্চতায় উঠেছিলেন; কেননা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির পর ৫ বছরের মধ্যে সকলের সহযোগিতায় কিছু যুগান্তকারী ঘটনা ঘটেছিল, যা শুধু যে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার পথকে সুগম করেছিল তাই-ই নয়; ঘটনাগুলো পৃথিবীর সকল মানুষের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা ও মৌলিক মানবাধিকারের চর্চা ও সুরক্ষার পথকে বাঁধাহীন করার ব্যাপারে শক্তিশালী প্রতিশ্রুতি তৈরি করেছিল।

দুর্ভাগ্যের বিষয় হল যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্ত হওয়ার পর ৫ বছর না যেতেই সারা বিশ্ব ঢুকে পড়ল এক গা হিম করা 'ঠান্ডা যুদ্ধে'র মধ্যে। বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলো এবং তাদের আঞ্চলিক সহযোগীরা আবার দেশে দেশে শুরু করলেন রণসজ্জা। কোরিয়া যুদ্ধ, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার যুদ্ধ, বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম, ইস্ট তিমুরের স্বাধীনতা আন্দোলনসহ আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার দেশে দেশে গৃহযুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাতে মিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে লাগল পরাশক্তিগুলো।

তিন.

'ওয়ার ইন্ডাস্ট্রি'র পৃষ্ঠপোষকতা, পরিচালনা ও পরিপোষণে বিপুল অর্থ ব্যয়ের কারণে পেছনে পড়ে গেল মানসম্পন্ন শিক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা। সকল মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টিও যথাযথ গুরুত্ব পেল না। সার্স, মার্স ও ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণের সময় থেকে বিশ্বের উন্নত ও ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যদি সচেতন হত; বেশি করে অর্থ বরাদ্দ করত স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য, বিশেষ করে নানা রকম ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও তার ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের জন্য; তাহলে করোনাভাইরাসের (কোভিড -১৯) তান্ডবে হয়তবা সারা বিশ্বকে এমন করে নাজেহাল হতে হত না অথবা আরও শক্তিশালীভাবে ও কার্যকরভাবে বিশ্ব মোকাবেলা করতে পারত করোনাভাইরাস সৃষ্ট সুনামি।

উল্লেখ্য যে, ২০০২ সালে সার্স করোনাভাইরাস ২৬টি দেশে ছড়িয়ে পড়ে, যাতে ৭৭৪ জন মৃত্যুবরণ করেন। ২০১২ সালে মার্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে ২৭টি দেশে এবং এতে মৃত্যুবরণ করেন ৮৭৭ জন। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ইবোলা ভাইরাস মহামারী আকারে দেখা দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, ইবোলা ভাইরাসে ২৭ হাজার ৬৭৮ জন আক্রান্ত হন এবং ১১ হাজার ২৭৬ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন।

দুঃখের বিষয় হচ্ছে যে, সার্স করোনাভাইরাস, মার্স করোনাভাইরাস ও ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণের পর বিশ্বের উন্নতরাষ্ট্রসমূহ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনেক বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত ছিল এসকল ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও ভবিষ্যতের ভাইরাস মোকাবেলার জন্য। কিন্তু সেটি তো করা হয়ইনি বরং 'ওয়ার ইন্ডাস্ট্রি' ও সামরিক খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। উপরন্তু, পুঁজিবাদ, বাজার অর্থনীতি, বহুজাতিক কোম্পানীগুলোর মুনাফা-ক্ষুধা ও ভোগবাদী সংস্কৃতির বিস্তারের কারণে সরাবিশ্বের মানুষ ঝুঁকে পড়েছে ভোগ-বিলাস ও অরাম-আয়েসের দিকে।

শিল্পায়ন, নগরায়ন, পুঁজিবাদ ও ভোগবাদকেন্দ্রীক উন্নয়নের নামে উন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলো দশকের পর দশক ধরে বায়ু দূষণ, পানি দূষণ, শব্দদূষণ, মাটিদূষণ, বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র ধ্বংসহ এমন সকল ধ্বংসাত্মক ও আত্মঘাতী কাজ করে চলেছে যে তাতে বিপন্ন হয়ে পড়েছে আমাদের চারপাশের পরিবেশ ও প্রকৃতি।

দূষণে দূষণে অসীম আকাশের নভোমন্ডলের 'ওজন লেয়ার' নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে, চারপাশের বায়ুমন্ডলে আজ বিষাক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড ও সীসা, মাটিতে প্লাস্টিক ও শিল্প বর্জ্যের দূষণ, 'গ্রীন হাউস এফেক্ট'-এর কারণে বাড়ছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, হিমশৈল গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমবর্ধমান। মানুষের কাণ্ডজ্ঞানহীন ও উন্মত্ত আচরণের কারণে উদ্ভিদকূল, প্রাণীকূল, জীববৈচিত্র, নভোমন্ডল, বায়ুমন্ডল ও সাগরের জলরাশি দিয়ে প্রকৃতি ও পরিবেশের যে ভারসাম্য মহান সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন, সেটি আজ শুধু বিপন্নই নয়, অনেক আগে থেকেই সেই ভারসাম্য ধ্বংস হতে বসেছে। কিন্তু লোভ-লালসা, বাণিজ্য ও ভোগবাদে উন্মত্ত মানুষ বুঝতে চাইছে না যে, প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য না থাকলে প্রাণী জগতে 'হোমো স্যাপিয়েন্স' নামের যে বুদ্ধিমান প্রাণী আছে সেটিও বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে!

চার.

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী প্রত্যেকটি রাষ্ট্রের তার জিডিপি বা মোট জাতীয় উৎপাদনের ৫ শতাংশ জনস্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা উচিত। জিডিপির ৯ থেকে ১৭ শতাংশ জনস্বাস্থ্যে ব্যয় করার পরও বলা হচ্ছে যে, ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো বিশ্বব্যাপী ক্ষমতা দখল-বেদখল ও 'ওয়ার ইন্ডাস্ট্রি' টিকিয়ে রাখার জন্য যে অর্থ ব্যয় করছে, সেই তুলনায় জনস্বাস্থ্য খাতে তাদের ব্যয় অপ্রতুল ও হতাশাজনক।

২০১৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত উপাত্ত প্রকাশ অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মোট জাতীয় উৎপাদনের ১৭.০৬ শতাংশ ব্যয় করে জনস্বাস্থ্যের জন্য, অস্ট্রেলিয়া করে ৯.২১ শতাংশ, কানাডা ১০.৫৭ শতাংশ, কিউবা ১১.৭১ শতাংশ, ফ্রান্স ১১.৩১ শতাংশ, জার্মানী ১১.২৫ শতাংশ, জাপান ১০.৯৪ শতাংশ, সুইজারল্যান্ড ১২.৩৫ শতাংশ ও বৃটেন ৯.৬৩ শতাংশ। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ব্রাজিল তার মোট জাতীয় উৎপাদনের ৯.৪৭ শতাংশ ব্যয় করে জনস্বাস্থ্যের জন্য, চীন ৫.১৫ শতাংশ, ভারত ৩.৫৩ শতাংশ, ইরান ৮.৬৬ শতাংশ, ও দক্ষিণ আফ্রিকা ৮.১১ শতাংশ ব্যয় করে।

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপ, যে রাষ্ট্রটি তার জিডিপির ৯.০৩ শতাংশ ব্যয় করে জনস্বাস্থ্যে, ৫.৫৫ শতাংশ ব্যয় নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে নেপাল। এক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কার ব্যয় জিডিপির ৩.৮১ শতাংশ, ভারতের ব্যয় ৩.৫৩ শতাংশ। জিডিপির ২.২৭ শতাংশ ব্যয় নিয়ে সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় আছে বাংলাদেশ, যেটি পাকিস্তানের (২.৯০ শতাংশ) চেয়েও কম!

পাঁচ.

২০১৮ সালে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র হবার প্রাথমিক স্বীকৃতি দিয়েছে, যেটি লাল সবুজের দেশটির ইতিহাসে একটি অনন্য ঘটনা। আবার সামাজিক উন্নয়নের বেশ কিছু সূচকে সার্কভূক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষে। তা সত্ত্বেও এ প্রশ্নের কোনো জবাব নেই যে, জনস্বাস্থ্য ও শিক্ষায় জিডিপির হিসেবে বাংলাদেশের বাজেট বরাদ্দ সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কেন সবচেয়ে কম? মন খারাপ করা তথ্য হচ্ছে যে, জনস্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়েও পেছনে!

প্রশ্ন উঠেছে যে, করোনাভাইরাস সৃষ্ট মহাসংকটের সময়ে কেন বাংলাদেশ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারছে না? সেটি কি এই জন্য যে, জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং পদ্মা-সেতু ও মেট্রো-রেলসহ কিছু অবকাঠামো নির্মাণকেন্দ্রীক উন্নয়নের মডেলে জনস্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি; বাজটেও বরাদ্দ করা হয়নি প্রয়োজনীয় অর্থ। মানসম্পন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে উপেক্ষা করে উন্নয়নের সুফল কি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া যায়? সেই জন্য কি আজ স্বাস্থ্যখাতের বেহাল অবস্থা? জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়ানো ও অবকাঠামো নির্মাণের সাথে সাথে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে উন্নীত করে সকলের স্বাস্থ্য নিরপত্তা নিশ্চিত করা যেত না?

এ কথা হলফ করেই বলা যায় যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা সঠিক সময়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিলে বাংলাদেশ কার্যকরভাবে করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলা করতে পারত। অথচ ২৩ এপ্রিলও স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও স্পেনের তুলনায় বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি অনেক ভাল। শুধু ভাল নয়, অনেক ভাল! হায় সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ! স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে তুলনা করলেন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও স্পেনের সঙ্গে, যে রাষ্ট্রগুলো তাদের শৈথিল্য ও রাষ্ট্রপরিচালনাকারীদের দায়িত্বহীনতায় মৃত্যুপুরিতে পরিণত হয়েছে। মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড তার নজর এড়িয়ে গেল? উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সামর্থ্যে আমাদের চেয়ে পেছনে থাকা ভুটান, নেপাল ও মালদ্বীপ যেভাবে সফলতার সঙ্গে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে, সেখান থেকেও তো তিনি শিক্ষা নিতে পারতেন।