Published : 15 Dec 2025, 01:19 PM
কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা একটি মাত্র বইও যদি কেউ পড়তে চায় বা কাউকে পড়তে হয়, তাহলে আপনি কোন বইটি পড়তে বলবেন? আমি বলবো, 'রাইফেল, রোটি, আওরাত'।
কেন এই বই?
কারণ আমার বিবেচনায় এর চেয়ে অথেনটিক, এর চেয়ে প্রাঞ্জল, এর চেয়ে র, এর চেয়ে বেশি আবেগের দলিল, এর চেয়ে বেশি প্রামাণ্য মুক্তিযুদ্ধের আর কোনো উপন্যাস নয়।
‘রাইফেল, রোটি, আওরাত’-এর রচয়িতা আনোয়ার পাশা। তিনি পেশায় ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। শহীদ বুদ্ধিজীবী আনোয়ার পাশার লেখা এই উপন্যাসটিই মুক্তিযুদ্ধের উপরে লেখা প্রথম উপন্যাস। ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে জন্ম নিয়েছে স্বাধীনতার এই আশ্চর্য আখ্যান।
দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেই, অবরুদ্ধ দেশে থেকে তিনি উপন্যাসের শেষ লাইনে নিশ্চিতভাবেই বলেছেন, ‘স্বাধীনতা— ঐ আসছে! মা ভৈঃ!’
অবশ্য, স্বাধীনতা তিনি নিজের চোখে দেখে যেতে পারেননি। ১৪ ডিসেম্বরে নিজের বাড়িতে পাশা সকালে নাশতা করছিলেন। সেখান থেকে তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার লাশ পাওয়া যায় মিরপুরের বধ্যভূমিতে।
লাশ পাবার সেই বিবরণ জানা গেছ শহীদ পাশার পুত্রের জবানিতে। ২০২২-এর ২৬ মার্চ ভয়েস অফ আমেরিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি জানিয়েছেন তার পিতাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার এবং পরে লাশ সনাক্ত করার সেই বিবরণ: “১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সকালে বাবা নাশতা করছিলেন। সঙ্গে ছিলেন রাশিদুল হায়দার (ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক)। আমরা বারান্দায় ক্যারাম বোর্ড খেলছিলাম। উঁকি দিয়ে দেখলাম অস্ত্র হাতে কয়েকজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। তখনও বুঝতে পারিনি আমাদের বাসাতেই এসেছে। এরপরের ঘটনাগুলো খুব তাড়াতাড়ি ঘটে যায়। বাবাকে, রাশিদ চাচাকে ধরে নিয়ে যায়। উল্টোদিকের বাড়ি থেকে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক, সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্যকেও নিয়ে যায়। সবাইকেই তারা চোখ বেঁধে নিয়ে যায়। খুব নিষ্ঠুর ও অমানবিক পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে ঘটনাগুলো ঘটে। ১৯৭২ সালের জানুয়ারির ২ বা ৪ তারিখে আব্বার মৃতদেহ পাওয়া যাওয়ার খবর পাই। সেদিন সকালে যারা এসে আব্বা এবং অন্যান্য শিক্ষকদের ধরে নিয়ে যায়, তারা ‘ইপিআরটি’র বাসে চড়ে এসেছিলেন। বাস ড্রাইভারকে পরে শনাক্ত করা হয়েছিলো। সেই ড্রাইভার মিরপুর শিয়ালবাড়ির বধ্যভূমির সন্ধান দিয়েছিলো। সেখানেই লাশ পাওয়া যায়।”
একটি বইই কি পারে মানুষের বুকের ভেতর দুর্গ গড়ে দিতে?
হ্যাঁ, পারে।
তারই প্রমাণ ‘রাইফেল, রোটি, আওরাত’। আর সেই দুর্গ গড়ার সাক্ষ্য আমি নিজে দেব।
এই গ্রন্থ প্রথমবার পাঠ করার পর কয়েক দিন আমার চিত্ত অসাড় হয়ে ছিল।
দেয়ালে লেগে থাকা নারীর মাথার উপড়ানো ত্বক আর ঝুলে থাকা গুচ্ছ চুল, থোকা থোকা রক্তের দাগ কতটা ঘাত তৈরিকারী হতে পারে তা একমাত্র যিনি এই অনুভূতির ভেতর দিয়ে যাবেন, তার পক্ষেই অনুধাবন করা সম্ভব।
তবে, অবাক বিস্ময়ের ব্যাপার হলো এই যে, পাঠক হিসেবে আমার ক্ষেত্রে রক্ত, গুলিতে আহত মানুষের শেষ মুহুর্তের পানি খেতে চাওয়ার অন্তিম আকুতি, গুঁড়িয়ে দেওয়া শহীদ মিনার ও কালী মন্দির যতটা না ট্রমা বা মানসিক-ঘাতের কারণ হয়েছে, তার চেয়েও বহুগুণ বেশি ঘাত তৈরি করেছে উপন্যাসে বর্ণিত রক্তজবা ফুল।
রক্ত, মৃত্যু, বারুদ, বুলেট ও রাজাকার-অলবদর-পাকসেনাদের থেকে পালাতে-পালাতে উপন্যাসের মূল চরিত্র সুদীপ্ত শাহীনের আর যেন শেষ রক্ষা হয় না। এক দুপুরে অতর্কিতে সে ধরা পড়ে যায় একদল নিরীহ রক্তজবার কাছে।
আমার জ্ঞান হবার পর থেকে আমাদের বাড়ির মূল ফটকে চিরকাল দেখে এসেছি একটি রক্তজবা গাছ। সেই থকে রক্তজবা আমার বড় আপন, বড় নিজের ফুল হয়ে আছে। কিন্তু সেই ফুলকে যখন আনোয়ার পাশা আমার চোখের সামনে হাজির করলেন, বুলেটবিদ্ধ ব্যক্তির অঙ্গ হিসেবে, সেই ফুলে-ফোটা-রক্তাক্ত-অঙ্গ দেখে সুদীপ্ত শাহীনের যখন চিত্তবৈকল্য ঘটে, যখন সে উদভ্রান্ত হয়ে ছুটে যায় ঘরে—তখন, উপন্যাসের ঠিক এই জায়গায় এসে আমারও যেন কোথাও কিছু একটা ঘটে যায়।
কী ঘটে যায়?
কেন ঘটে যায়?
কেমন করে ঘটে যায়?
এইসব শত প্রশ্নেও সব সময় উত্তর মেলে না। আমার চৈতন্যের ভেতর ঘুরে ঘুরে আসে কেবল আমার বাড়ির গাছ ভরা রক্তজবা ফুল। আমার রক্তের ভেতরে আততায়ীর মতন অতর্কিতে আবিভূর্ত হয় রক্তাক্ত জবা। আমাকে বিমূঢ়, বিহ্বল, এলোমেলো, ভাষাহীন করে চোখের মধ্যে ফুটিয়ে তোলে হীরকচূর্ণের মতন অশ্রুদানা।
সেই জবার সামনে আমার সকল প্রতিরোধ ভেঙে চূড়মার হয়ে যায়। বিবশ হয়ে আমি জবাকে জিজ্ঞেস করি, রক্তের দাগের চেয়েও কেন তুমি এতই প্রবল! সেই ব্যথিত-রক্ত-অঙ্গ-জবা গভীর প্রণয়ীর মতন ফিসফিসিয়ে আমাকে বলে, রক্তের ভেতরে যেই ফুল ফোটে তার তো কোনো আদি-অন্ত নাই, সোনা! তার কোনো লয়-ক্ষয় নাই। যে তারে দেখে, সে তারে পায় বহু যাতনায়।
সুদীপ্ত শাহীন নামের প্রধান চরিত্রের ভেতর দিয়ে এই উপন্যাসে আদতে আনোয়ার পাশা নিজেই হাজির থেকেছেন।
রক্ত, মৃত্যু, ধর্ষণ, সহিংসতা, বিশ্বাসঘাতকতা, নির্যাতন-নিপীড়নের বয়ান কতটা জীবন্ত হতে পারে, 'রাইফেল, রোটি, আওরাত' তার নির্মেদ, নির্মোহ উদাহরণ। ধর্ম, ভাষা ও রাজনীতিকে কী করে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে, 'রাইফেল, রোটি আওরাত' সেই বয়ানও ছত্রে ছত্রে হাজির করেছে।
ড. খালেকের সঙ্গে সুদীপ্তের প্রতিটা আলাপচারিতাই কৌতূহলোদ্দীপক। একবার আলাপের মধ্যে “ড. খালেক চিৎকার করে উঠলেন—
শহীদ মিনার? আমরা বানাবো শহীদ মিনার! এতোই মালাউন ভাবলেন আমাদের? জেনে রাখুন, তেমন দিন এলে আপনাদের ঐ শহীদ মিনারকে ভাঙ্গব আমরা।
শহীদ মিনার ভেঙ্গে দেবেন! বিস্ময় প্রকাশ করেন সুদীপ্ত।”
এরকম বিস্ময়কর অনেক আলাপ, অনেক গল্প রাখা আছে এই উপন্যাসে।
চিত্রশিল্পী আমন স্ত্রী-সন্তান হারিয়ে অপ্রকৃতস্থ হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতো আর থেকে থেকে বলে ওঠতো, ‘হাম গোলি করে গা, গোলি খায়ে গা’।
শেষমেষ হয়েও ছিল তাই। হানাদারদের দিকে ভাঙা ইটের টুকরো ছুঁড়ে সে রাগ-ঘেন্না-প্রতিবাদ-প্রতিরোধের জানান দিয়েছিল। ভাঙা ইটের টুকরোর জওয়াবে আমনের দিকে ছুটে এসেছিল বুলেট। মরতে মরতে তখন খসে পড়েছিল ‘তার হাতের আধখানা ইট’।
বুলেটের সামনে ইটের দাঁড়াবার শক্তি নেই বটে। কিন্তু অসত্যের সামনে সত্যের দাঁড়ানোর শক্তি চিরকালই থাকে।
তাই, আমনের স্ত্রী পলি, যাকে পাকিস্তানি সৈন্যরা ধরে নিয়ে গিয়ে যৌনদাসী হিসেবে বন্দী রেখেছে দিনের পর দিন, সেও একদিন একটা মামুলি বটি নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। পাকসেনাকে কুপিয়ে হত্যা করে নিজে মুক্তি পেয়ে এমন একজনের কাছে ছুটে যায়, যার কাছে গিয়ে পলি শুরুতেই প্রশ্ন করে, আপনার কাছে মাইন আছে? থাকলে আমাকে মাইন দিন।
পলি কেন মাইন চেয়েছিল? কারণ বুকে মাইন বেঁধে আরো কয়েকজন হানাদারকে সঙ্গে নিয়ে সে মরতে চায়। মৃত্যুই তার প্রতিরোধের হাতিয়ার।
এইভাবে লেখার ভাঁজে-ভাঁজে বুলেট-বারুদ-সাহস-বিহ্বলতা-উন্মুলতার এক অদ্ভুত ভ্রমণের ভেতর দিয়ে পাঠককে নিয়ে যায় ‘রাইফেল, রোটি, আওরাত’। এইভাবে পাঠকের ভেতর ‘রাইফেল, রোটি, আওরাত’ ক্রমে ইটের পরে ইট বসিয়ে গড়তে থাকে অদৃশ্য দূর্গ।
এই দুর্গের একফোঁড়ে ১৯৭১: রক্তাক্ত মাতৃভূমি, বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর সাহস। দূর্গের আরেক ফোঁড়ে থাকে এই সময়ের পাঠক। যে পাঠক দেখে, অনেক রক্ত, অনেক মৃত্যুর ভার নিতে-নিতে ট্রমাক্রান্ত সুদীপ্তের মনোজগৎ হয়ে উঠেছে হতবিহবল, নাজুক ও ঘোরগ্রস্ত।
সুদীপ্তের জীবন তাড়া খা্ওয়ার জীবন, পালানোর জীবন। ৪৭-এর ভারত ভাগের পর সে নিশ্চিন্তির খোঁজে এসেছিল পূর্ব পাকিস্তানে। কিন্তু নিজের নাম নিয়ে সুদীপ্ত যখন বারবার বারবার প্রশ্ন শুনেছে, ‘সুদীপ্ত কি মুসলমানের নাম হয়’? তখন থেকেই একটু একটু করে তার ভেতরে গাঢ় হয়েছে আরো নিবিড় পলায়ন।
দেশভাগে একবার পালানো সুদীপ্ত ৭১-এ আবার পালায়।
২৫ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহত্যার পর লুকিয়ে থেকে কোনো মতে প্রাণে বেঁচে যাওয়া সুদীপ্ত তার সঙ্গী, সাথী, সহকর্মীদের লাশের উপর দিয়ে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উদ্বাস্তু হয়। খুঁজতে খুঁজতে পায়ও একটা সাময়িক নিরাপদ আশ্রয়। কিন্তু সেই নিরাপত্তার ভেতরেও কুঁকড়ে ওঠে সুদীপ্ত।
ভর দুপুরের রোদ ঝলমল আলোয় প্রস্ফুটিত রক্তজবা ফুল দেখে সুদীপ্তের বিভ্রম হয়। তার মনে হয় যেন-বা গাছের মধ্যে ঝুলে আছে কারোর বুলেটবিদ্ধ রক্তাক্ত অঙ্গ।
এই উপন্যাস পাঠকের লোমকূপে শীতল শিরশিরানি এনে দেবে; এনে দেবে রাগ, ক্ষোভ ও বেদনার অদ্ভুত মিশেল।
বাংলা নাম দেখলেই সেটিকে 'হিন্দুয়ানী' বলে ধর্মের 'ট্যাগ' মেরে দেওয়া এবং যা কিছু বাংলা ও বাঙালির নিজস্বতা, সেগুলোকে হিন্দুয়ানী ছাপ্পর মেরে খারিজ করার সংস্কৃতি আজকের নয়, তখনকার। এই আইডিয়া ও বয়ানগুলো সেইসময় থেকেই পাকিস্তানপন্থীদের হাতিয়ার।
কিন্তু গাছ কেটে ফেললেই কি আর বসন্তের আগমনকে প্রতিহত করা যায়! যায় না। শূন্য দিগন্তে বসন্তের বায়ু এমন ঘ্রাণ নিয়ে বইতে থাকে যে, তার চেয়ে ফুলেল বসন্তের আগমনকেই বরং অপক্ষোকৃত কম 'অত্যাচার' বলে মনে হয়।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও সেরকম হয়েছে।
আনোয়ার পাশা উপন্যাসে লিখছেন, "বাঙালিরা এখন মরতে শিখেছে, অতএব তাকে মেরে নিঃশেষ করে দেবার ক্ষমতা এখন পৃথিবীতে কারো নেই"।
এই বইয়ের পাণ্ডুলিপিটা বাঁচাতেও অনেক কসরৎ করতে হয়েছে আনোয়ার পাশার স্ত্রীকে।
পাণ্ডুলিপিটিকে মিটসেফের ভেতরে হাঁড়িকুড়ি রাখার জায়গায় বিছিয়ে দিয়ে তার উপরে কাগজ বিছিয়ে হাড়ি-পাতিল রাখতেন তিনি।
যদি রেইড দিতে এসে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা কোনোদিন ঘরে ঢুকে খোঁজাখোঁজি শুরু করে তখন যেন পাণ্ডুলিপিটা খোয়া না যায়, তাই এতো কসরত করতে হয়েছে বলে ভয়েস অফ আমেরিকাকে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন আনোয়ার পাশার কনিষ্ঠ পুত্র।
আনোয়ার পাশা স্বাধীনতা দেখে যেতে পারেননি। কিন্তু তিনি যে দিব্যদৃষ্টিতে দেখে লিখেছিলেন, "নতুন মানুষ, নতুন পরিচয় এবং নতুন একটি প্রভা। সে আর কত দূর। বেশি দূর হতে পারে না। মাত্র এই রাতটুকু তো। মা ভৈঃ। কেটে যাবে।" তা সত্য হয়েছিল।
জাতি এবং দেশ আদতে শুরু হয় একটা কল্পিত সমাজ বা 'ইমাজিন্ড কমিউনিটি' হিসেবে। ক্রমে তার বাস্তব রূপ প্রস্ফুটিত হয়।
দেশ তথা জাতি আবার একটা রিলে রেসের মতন ব্যাপারও বটে।
৪০০ মিটার দৌড়ে একজন গিয়ে দৌড়ে পরের জনের কাছে ব্যাটনটা পৌঁছে দেয়। সেখান থেকেই শুরু হয় তার পরের জনের দৌড়। আপাতার্থে, দুজন ভিন্ন মানুষের দৌড় হলেও তারা একই সূত্রে গাঁথা।
আমি সবসময়ই চাই ১৮ কি ২০/২২ এর তরুণ-তরুণীরা সবাই এই বইটা পড়ুক। বহু তরুণ-তরুণীকে নানান সময়ে এই পড়িয়েছিও নানান কায়দায়। কিন্ত কেন? কেন আমি ১৮ কি ২০/২২ এর তরুণ-তরুণীদেরকে 'রাইফেল, রোটি, আওরাত' পড়তে দিতে ব্যাকুল হয়ে থাকি?
আনোয়ার পাশা আমার বুকের ভেতরে প্রস্ফুটিত টুকটুকে লাল অথচ ব্যথিত যে রক্তজবা গুঁজে দিয়ে গেছেন, সেই জবা তো আর আমি বা আমার মতন ক'জনের জন্য কেবল নয়!
এই জবা আদতে রক্তবীজ! তাই, আমার মনে হয়, একে রক্তের ফোঁটার মতন আরো আরো অগুন্তি বুকের জমিনে রুইয়ে দেওয়াই পবিত্র কর্তব্য।