২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭ আশ্বিন ১৪৩৩

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল: দীন মোহাম্মদের জায়গায় এলেন কাজী গিয়াস

২০১২ সাল থেকে এ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালকের পদে থাকা ছিলেন দীন মোহাম্মদ।

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল: দীন মোহাম্মদের জায়গায় এলেন কাজী গিয়াস
জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নতুন পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Feb 2025, 08:41 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:51 AM

ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্সেস ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার। 

তার জায়গায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে।

মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, “ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক পদে অধ্যাপক ডা. কাজী দীন মোহাম্মদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্টাংশ বাতিল করা হল।”

আর স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আলাদা প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদকে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) করার কথা জানানো হয়েছে।

স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দীন মোহাম্মদ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আরও দুই বছরের জন্য সাবেক এ অধ্যাপককে এ হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। 

২০১২ সাল থেকে এ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালকের পদে থাকা ছিলেন তিনি।

প্রায় চার মাসে আগে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে কর্মরত স্বাচিপপন্থি চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. গুরুদাস মন্ডলকে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বদলি করা হয়।

সম্প্রতি তাকে আবার ফিরিয়ে আনার পর বৈষম্যবিরোধী চিকিৎসকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। 

বিষয়টি নিয়ে গত বুধবার চিকিৎসকরা পরিচালক কাজী দীন মোহাম্মদের কক্ষে যান। সেখানে বিষয়টি নিয়ে কিছুটা হট্টগোল হয়। পরে চিকিৎসকরা বের হয়ে ৪০২ নম্বর কক্ষে বৈঠক করার সময় হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং আউটসোর্সিংয়ের কিছু কর্মচারী তাদের ওপর হামলা করে।

ওই ঘটনার জন্য পরিচালক কাজী দীন মোহাম্মদকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেন বিএনপি এবং জামায়াতপন্থি চিকিৎসকরা।

পাশাপাশি হামলার প্রতিবাদে ওইদিন সকাল ১০টার দিকে কর্মবিরতি শুরু করেন চিকিৎসকরা। পরে দুপুরের দিকে আউটডোর এবং জরুরি বিভাগে কার্যক্রম শুরু করেন চিকিৎসকরা।

এ অবস্থায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল চেয়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে চিঠি দেন কাজী দীন মোহাম্মদ।