Published : 25 Sep 2025, 06:05 PM
সাতচল্লিশ বছর, প্রায় অর্ধ শতাব্দী। দীর্ঘ এই সময়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সুখে-দুঃখে নানাভাবে জড়িয়ে ছিলেন।
এবার সেই মায় কাটাতেই হলো খোরশেদ আলমের। ৬১ বছর বয়সে অবসর নিয়ে ফিরলেন চাঁদপুরে নিজের বাড়িতে। বিদায়ের ক্ষণটি হিয়ে ওঠে আবেগমাখা।
চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরবে, এই প্রত্যাশা নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন তিনি।
শিল্পনির্দেশকের সহকারী হিসেবে কাজ করে আসা খোরশেদ আলমকে বুধবার এফডিসিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়।
বিদায় অনুষ্ঠানে ছিলেন নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, এফ আই মানিক, ওয়াকিল আহমেদ, চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি, ইয়ামিন হক ববি, অভিনেতা কমল পাটেকর, সনি রহমান, চুন্নু, মাহবুবুর রশিদ মুন্না, মুন্না খান, নৃত্যপরিচালক ইউসুফ খান এবং এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি।
এ সময় আবেগাপ্লুত খোরশেদ আলম স্মরণ করেন তার ওস্তাদ শরফুদ্দীন ভূঁইয়া থেকে প্রয়াত নির্মাতাদের।
“সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন। আমার জন্য যারা এ আয়োজন করছেন, শরীরের সব রক্ত দিয়েও এ ঋণ শোধ হবে না। এফডিসি আগের মত ভালো দিনে ফিরে যাক, সে কামনা করি,” বিদায়বেলায় এমন আশার কথা জানালেন খোরশেদ আলম।
খোরশেদ আলমের সঙ্গে কাজের স্মৃতি স্মরণ করেন নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু।
তিনি বলেন, “ওর সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি। আমার অনেক সিনেমাতে ও কাজ করেছে। ও পরিবারের কাছে ফিরছে, এটা আনন্দের। সুস্থভাবে পরিবারের সঙ্গে ওর শেষ সময় কাটুক, সে কামনা করি।”

চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি ও কয়েকজন বিনোদন সাংবাদিকের উদ্যোগে এই আয়োজন। মানবিক এই উদ্যোগে আরও যুক্ত ছিলেন অভিনয়শিল্পী থেকে নির্মাতা ও প্রযোজকরাও।
আয়োজক মাজহার বাবু বলেন, “খোরশেদ ভাই আমাদের সহযোগিতা চেয়েছিলেন, আমরা চেষ্টা করেছি তার পাশে থাকতে। তবে এই অল্প সময়ে ২ লাখ ১৬ হাজার টাকা তার জন্য সহায়তা পেয়েছি।
“যারা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”
শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় এফডিসি ছাড়লেন খোরশেদ আলম। ফিরে গেছেন চাঁদপুরের ভবানীপুর গ্রামে, যেখানে তার জন্ম।