Published : 13 Nov 2025, 01:33 AM
নন্দিত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাকে নিয়ে বিচিত্র অভিজ্ঞতার গল্প শোনাবেন অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলাম।
হুমায়ূন আহমেদের নাটক-সিনেমায় কাজ করে পরিচিতি পেয়েছেন এই অভিনেতা।
শনিবার সকাল ৭টায় মাছরাঙা টেলিভিশনের ‘রাঙা সকাল’ অনুষ্ঠানে হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে নানা স্মৃতিকথা জানাবেন এজাজ।
বিজ্ঞপ্তিতে মাছরাঙা বলেছে, কাজ করতে গিয়ে হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে অনেক বিচিত্র অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিনেতা এজাজের। রয়েছে অসংখ্য আনন্দ-বেদনার স্মৃতি। লেখক কিংবা নির্মাতার বাইরে একজন মানুষ হিসেবেও তাকে কাছ থেকে দেখেছেন এই অভিনেতা। হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে প্রথম পরিচয়, প্রথম ও শেষ কাজ, শুটিংয়ে মজার ঘটনা, আড্ডা, গল্প, শেষ দেখা এবং তার শূন্যতা নিয়ে কথা বলবেন এজাজ।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন রুম্মান রশীদ খান ও অর্চি রহমান।
আশি থেকে নব্বইয়ের প্রজন্মের কাছে হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন গল্পের জাদুকর৷ ধারাবাহিক নাটক ‘এইসব দিনরাত্রি’ থেকে শুরু করে ‘বহুব্রীহি’, ‘অয়োময়’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘নক্ষত্রের রাত’-এর মতো জনপ্রিয় নাটক নির্মীত হয় তার গল্পেই।
১৯৯২ সালের ‘শঙ্খনীল কারাগার’ সিনেমাটির গল্পকারও তিনিই। এই সিনেমার মাধ্যমেই সেরা গল্পকারের জাতীয় চলচ্চিত্রকারের সম্মান অর্জন করেন হুমায়ূন আহমেদ।
ধীরে ধীরে এক ঘণ্টার নাটক তৈরির মাধ্যমে পরিচালনাতেও আসেন তিনি। ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায় হুমায়ূন আহমেদ নির্মীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’। এরপর একে একে তিনি নির্মাণ করেছেন আরও সাতটি সিনেমা। ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘চন্দ্রকথা’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘নয় নম্বর বিপদ সংকেত’, ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ তার জনপ্রিয় সৃষ্টি।
ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই পৃথিবী ছেড়ে চলে যান হুমায়ূন আহমেদ।