১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বাধীনতা পদক নিলেন হানিফ সংকেত ও বশির আহমেদের মেয়ে

বৃহস্পতিবার এ বছরের মনোনীতদের পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্বাধীনতা পদক নিলেন হানিফ সংকেত ও বশির আহমেদের মেয়ে
সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা পদক নেন হানিফ সংকেত ও বশির আহমেদের পক্ষে তার মেয়ে হুমায়রা বশির।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Apr 2026, 07:10 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:25 PM

সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ নিয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী বশির আহমেদের পক্ষে তার মেয়ে হুমায়রা বশির ও এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত)। 

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিতে বৃহস্পতিবার বিকালে এ বছরের মনোনীতদের পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

পুরস্কার নিতে বশির আহমেদের ছেলে রাজা বশির ও মেয়ে হুমায়রা স্বপরিবারে হাজির হয়েছিলেন অনুষ্ঠানে। 

পুরস্কার গ্রহণের আগে হুমায়রা গ্লিটজকে বলেন, “আমরা দুই ভাই বোন পাপার পক্ষ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করব। পাপা, আম্মি বেঁচে থাকলে উনাদের বলতাম আপনাদের সন্তান হতে পেরে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি। পাপাকে নিয়ে আমরা সত্যিই গর্বিত।”

‘অনেক সাধের ময়না আমার’, ‘আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো’, ‘আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে’, ‘যারে যাবি যদি যা'সহ বহু কালজয়ী গানের শিল্পী ও সুরকার বশির আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসার ও হৃদরোগে ভোগার পর ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল ৭৪ বছর বয়সে মারা যান। 

দেশের সংগীতশিল্পী হিসেবে তাৎপর্যপূর্ণ অবদানের জন্য ২০০৫ সালে একুশে পদক পান তিনি। 

সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেন হানিফ সংকেত। 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দিল সরকার।

গত ৫ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ চলতি বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।

এবার খালেদা জিয়াসহ মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন সাতজন। বাকিরা হলেন-মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী, সমাজসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী, সংস্কৃতিতে বশির আহমেদ এবং জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে আরো আছেন বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজ সেবায় সাইদুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।

পাঁচটি প্রতিষ্ঠান এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চিকিৎসা বিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ, পল্লী ‍উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), জনসেবায় এসওএস শিশু পল্লী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, ৩ লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

সুস্থ সংস্কৃতির চর্চায় আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই: হানিফ সংকেত

'আব্বার খুশির চেহারাটা দেখতে পেলে জড়িয়ে ধরে উল্লাস করতাম'

স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও পাঁচ