২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ছি ছি ছি রে ননী’ ছড়াচ্ছে সোশাল মিডিয়া থেকে বনভোজনে

এই গান প্রথম রেকর্ড করা হয় ১৯৯৫ সালে; পরে ২০০৫ সালে গানটির মিউজিক ভিডিও তৈরি করা হয়।

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Feb 2025, 12:41 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:31 PM

দুই দশক আগের একটি গান তুমুল সাড়া তুলেছে সোশাল মিডিয়ায়।

‘ছি ছি ছি রে ননী ছি’ শিরোনামের উড়িয়া ভাষার গানটি কেবল সোশাল মিডিয়ার রিলে নয়, বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠান, জন্মদিন বা বনভোজনেও গাওয়া হচ্ছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে।  

এই গানের অর্থ তুলে ধরেছে কলকাতার সংবাদমাধ্যম টিভি নাইন বাংলা।

গানটি গেয়েছেন উড়িয়া সঙ্গীত শিল্পী সত্য অধিকারী। উড়িষ্যার সম্বলপুর অঞ্চলের লোকসংগীত এটি। 

গানের মূল ভাব হল এক প্রেমিকের প্রেম ভাঙার হাহাকার। যিনি প্রেমিকাকে দোষারোপ করেছেন গানজুড়ে। 

এই গান প্রথম রেকর্ড করা হয় ১৯৯৫ সালে। পরে ২০০৫ সালে গানটির মিউজিক ভিডিও তৈরি করা হয়।

গানে প্রেমিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সম্বলপুরের গোবিন্দতলার অভিনেতা বিভূতি বিশ্বল। তিনি একজন থিয়েটার অভিনেতা। কয়েকটি সিনেমার নাম ভূমিকায়তেও অভিনয় করেছেন বিভূতি।

মিউজিক ভিডিওর পরিচালক মানবভঞ্জন জানিয়েছেন, মিউজিক ভিডিওতে বিভূতি গ্রামের একজন দরিদ্র কৃষকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। যে কৃষক একসময় কাজের খোঁজে গ্রাম ছেড়ে শহরে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরে গ্রামে ফিরে এসে তিনি দেখেন তার প্রেমিকা ননীর বিয়ে হচ্ছে অন্যত্র।

বিচ্ছেদের যন্ত্রণায় পথেঘাটে ঘুরে ঘুরে গানটি গেয়েছেন ওই প্রেমিক। 

গানের কথা হল, “ছি ছি ছি  রে ননী ছি/ ধনকে চিনলি তুই ননী সিনা/ মনকে চিনলি নাই/ সুনাকে চিনলি, মনাকে চিনলি/ মানুষ চিনলি নাই/ ছি ছি ছি রে ননী ছি।”

গানের বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, “সত্যিই লজ্জার, ননী/ তুমি শুধুই সম্পত্তি দেখলে, কিন্তু আমার ভালোবাসার প্রকৃত মূল্য দিতে পারলে না/ তুমি সোনা ও দামি গয়না চিনতে পেরেছ। কিন্তু, প্রকৃত মানুষ চিনতে পারোনি/ আমার সম্পত্তির অভাব ছিল বলে তুমি আমাকে এভাবে ছেড়ে দিয়েছ/ যার টাকা পয়সা আছে তার মন নাই/ আমার মনকে দেখলি না ছি ছি ছি রে ননী ছি।”