Published : 24 Jul 2026, 01:25 PM
হরর, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, সায়েন্স ফিকশন অ্যানিমেশন ও থ্রিডি কনসার্ট ফিল্ম-এই চার ভিন্ন ঘরানার হলিউড সিনেমা একই দিনে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে।
শুক্রবার থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সের শাখাগুলোতে মুক্তি পেয়েছে হরর ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমা ‘এভিল ডেড বার্ন’, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘প্যাসেঞ্জার’, শিশু-কিশোরদের অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘টাইম হোপার্স: দ্য সিল্ক রোড’ এবং গায়িকা বিলি আইলিশের কনসার্ট ফিল্ম ‘বিলি আইলিশ – হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট: দ্য ট্যুর’।
সিনেমাগুলো নিয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও বিপণন বিভাগের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, "একই দিনে রোমাঞ্চ, ভয়, বিজ্ঞান ও মিউজিকের এমন কম্বিনেশন স্টার সিনেপ্লেক্সে আগে আসেনি। আমরা আশা করছি দর্শকরা প্রেক্ষাগৃহে এসে ভিন্ন স্বাদের এই অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন।"
এভিল ডেড বার্ন

‘এভিল ডেড’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ষষ্ঠ কিস্তি এবং ‘এভিল ডেড রাইজ’-এর সিক্যুয়েল এটি। সেবাস্তিয়ান ভানিচেক পরিচালিত সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন স্যাম রাইমি ও রব ট্যাপার্ট।
সুহেইলা ইয়াকুব, হান্টার ডুহান ও লুসিয়ান বুকানন অভিনীত এই সিনমাতে দেখা যাবে, স্বামীর অকাল মৃত্যুর পর এক তরুণী তার শ্বশুরবাড়ির নির্জন আশ্রয়ে এসে কীভাবে এক অভিশপ্ত ‘ডেমোনিক’ শক্তির মুখে পড়ে।
প্যাসেঞ্জার

আন্দ্রে ওভ্রেডাল পরিচালিত সাইকোলজিক্যাল হরর ও সাসপেন্স থ্রিলার ‘প্যাসেঞ্জার’। সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যাকব সিপিও, লু লোবেল ও মেলিসা লিও।
একটি রোড ট্রিপে নির্জন মহাসড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়া আহত মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে কীভাবে এক দম্পতি অতিপ্রাকৃত আতঙ্কের মুখোমুখি হয়, তা নিয়ে এ সিনেমার গল্প।
টাইম হোপার্স: দ্য সিল্ক রোড

ছোটদের জন্য তৈরি সায়েন্স ফিকশন ও অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘টাইম হোপার্স: দ্য সিল্ক রোড’। ২০৫০ সালের প্রেক্ষাপটে ‘আকলি একাডেমি’র চার শিক্ষার্থী কীভাবে ভুলবশত টাইম-ট্রাভেল করে প্রাচীন সিল্ক রোডের যুগে পৌঁছে যায় এবং ইতিহাস রক্ষায় অভিযানে নামে, তা দেখানো হয়েছে সিনেমাটিতে।
বিলি আইলিশ – হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট: দ্য ট্যুর

পপ তারকা বিলি আইলিশের ম্যানচেস্টার কনসার্ট নিয়ে নির্মিত বিশেষ থ্রিডি কনসার্ট ফিল্ম 'বিলি আইলিশ – হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট: দ্য ট্যুর'
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ‘টাইটানিক’ ও ‘অ্যাভাটার’ খ্যাত নির্মাতা জেমস ক্যামেরন। প্যারামাউন্ট পিকচার্সের এই চলচ্চিত্রে ক্যামেরনের অত্যাধুনিক ভার্চুয়াল রিয়েলিটি থ্রিডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা দর্শকদের লাইভ কনসার্টের অভিজ্ঞতা দেবে।