০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বায়ুদূষণের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পর্যবেক্ষণ যন্ত্র বসাবে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন

যন্ত্রগুলো ১২ মাস বায়ুমানের তথ্য সংগ্রহ করবে, যা পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যের সঙ্গে নিয়মিত মিলিয়ে দেখা হবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 04 Nov 2026, 02:41 AM

Updated : 04 Nov 2026, 02:41 AM

রাজধানী ঢাকার আটটি নিম্ন আয়ের, শিল্প ঘেঁষা এবং বায়ু দূষণ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বায়ুমান পর্যবেক্ষণ যন্ত্র স্থাপনের কথা বলেছে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন।

ঢাকায় বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণে ফাউন্ডেশনের ‘ব্রিদিং ঢাকা’ প্রকল্পের টেকনিক্যাল লিড আহমাদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, “আমরা ঢাকার ৮টি নিম্ন আয়ের, শিল্প ঘেঁষা এবং বায়ু দূষণ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বায়ুমান পর্যবেক্ষণ যন্ত্র বসাব।

“যন্ত্রগুলো ১২ মাস বায়ুমানের তথ্য অবিরামভাবে সংগ্রহ করবে, যা পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যের সঙ্গে নিয়মিত যাচাই করা হবে। বায়ুমানের এই সংগৃহীত তথ্য সকলের জন্য উন্মুক্তভাবে প্রকাশিত হবে এবং গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।”

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিবেশ ভবন প্রকল্পের সূচনা সভায় তিনি এসব উদ্যোগ তুলে ধরেন বলে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পিএম২.৫ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর বসবাসের এলাকার বায়ুমান সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্য তথ্য উন্মুক্তভাবে সবার জন্য সহজলভ্য করা।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন এলাকার বায়ুদূষণের পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং পরিবেশগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তথ্যের ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. লুৎফর রহমান বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তর সবসময়ই বাংলাদেশের পরিবেশ নিয়ে কাজ করছে। অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগটি ঢাকার বায়ুমান পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

“এই ধরনের প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা যেন সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে পারি এই আশা ব্যক্ত করছি।”

অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট আহমেদ ইমতিয়াজ জামি বলেন, “অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নিয়ে কাজ করছে, আর এই জনগোষ্ঠীই বায়ু দূষণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে।”

সভায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা মহানগরের পরিচালক ফরিদ আহমেদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিউর রহমান, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা এবং স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।