Published : 07 May 2026, 05:36 PM
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ-এপ্রিল সময়ের আমদানি বিল বাবদ ১৫১ কোটি ৪০ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য জানান।
আকুর বিল পরিশোধের ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা কমে আসবে।
বুধবার গ্রস হিসাবে রিজার্ভে ছিল ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম ৬ পদ্ধতির হিসাবে রিজার্ভে ছিল ৩০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার।
আকুর বিল পরিশোধের ফলে রিজার্ভ কমে কত হয়েছে, তা হিসাব সমন্বয়ের পর জানা যাবে।
এর আগে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সময়ের আকুর বিল বাবদ ১৩৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার পরিশোধ করেছিল বাংলাদেশ। আর ২০২৫ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে পরিশোধ করেছিল ১৫৩ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সময়ে ১৬১ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল।
তার আগে জুলাই-অগাস্ট সময়ে ১৫০ কোটি ডলার এবং মে-জুন সময়ে রেকর্ড ২০২ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হয়েছিল বাংলাদেশকে।
জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশনের উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় আকু।
জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশনের ভৌগোলিক সীমারেখায় অবস্থিত সব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য আকুর সদস্যপদ উন্মুক্ত। এর সদর দপ্তর ইরানের রাজধানী তেহরানে।
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ— এই নয়টি দেশ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সদস্য ছিল।
তবে রিজার্ভ সংকটে পড়ে ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে আকু থেকে বেরিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।
আকুর সদস্য দেশগুলো নিজেদের মধ্যে যে আমদানি-রপ্তানি করে, তার দায় ২ মাস পর পর সমন্বয় করে। প্রতি দুই মাস অন্তর গড়ে সোয়া এক বিলিয়ন ডলারের মত দায় শোধ করে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক।