দোহাজারি হাইওয়ে থানা পুলিশ বুধবার রাতে আট জনের এবং পাঁচলাইশ থানা পুলিশ অপর দুই জনের লাশ স্বজনদের হস্তান্তর করে।
Published : 03 Apr 2025, 11:57 AM
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত ১০ জনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দোহাজারি হাইওয়ে থানা পুলিশ বুধবার রাতে আট জনের এবং পাঁচলাইশ থানা পুলিশ অপর দুই জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।
দোহাজারি হাইওয়ে থানার ওসি শুভরঞ্জন চাকমা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় মাইক্রোবাস চালক ইউসুফ আলী, যাত্রী দিলীপ বিশ্বাস ও তার স্ত্রী সাধনা মণ্ডলের লাশ হস্তান্তরের পর রাতে বাকি লাশগুলো হস্তান্তর করা হয়।
দিলীপ ও সাধনার লাশ তাদের পরিচিত সাইফুল ইসলাম নামে সাতকানিয়ার এক ব্যক্তি গ্রহণ করে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। আর মাইক্রোবাসের চালক ইউসুফ আলীর লাশ গ্রহণ করেন তার পরিচিত আল আমীন নামে অরেক মাইক্রোবাস চালক।
ওসি জানান, নিহতদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম শামীম, তার স্ত্রী লুৎফুন নাহার সুমি ও তাদের মেয়ে লিয়ানা, সুমির ভাগ্নি তানিফা ইয়াসমিনের লাশ গ্রহণ করেছেন সুমির ভাই। এই পরিবারের বন্ধু মুক্তার হোসেনের লাশ গ্রহণ করেছেন তার ভাই মোস্তাক হোসেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া সাধনা মণ্ডলের বাবা আশীষ মণ্ডল এবং শামীম ও সুমির আরেক মেয়ে আনীষার লাশও রাতে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান পাঁশলাইশ থানার ওসি মো. সোলায়মান।
লোহাগাড়ার দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় জেনে চট্টগ্রামে আসছেন স্বজনরা
চট্টগ্রামে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০
বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে চট্টগাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়ায় এলাকায় চট্টগ্রামগামী রিলাক্স পরিবহনের বাসের সঙ্গে কক্সবাজারমুখী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে মারা যান আরও তিনজন।
নিহত দিলীপ বিশ্বাসের ছয় বছর বয়েসী মেয়ে আরাধ্যা বিশ্বাস, সাধনা মণ্ডলের ভাইপো দুর্জয় মণ্ডল, নিহত রফিকুল ইসলামের মেয়ে প্রেমা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।