১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘ঘুষের ফাঁদ’: চট্টগ্রামে দুদকের হাতে আটক শুল্ক কর্মকর্তা

“আজকে আমাদের বিশেষ টিম অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছদ্মবেশে ঘুষ লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে,” বলেন দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Sep 2025, 09:58 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:18 PM

পণ্য ছাড় করাতে আমদানিকারকের কাছ থেকে ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টমসের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও একজন দালালকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার বিকালে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর একটি দল কাস্টমস হাউসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

দুদক চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ এ তথ্য দিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “একজন আমদানিকারকের কাছ থেকে পণ্য ছাড় করার জন্য ঘুষ দাবির অভিযোগ পেয়ে এই ‘ফাঁদ অভিযান’ পরিচালনা করা হয়। 

“আজকে আমাদের বিশেষ টিম অভিযোগের প্রেক্ষিতে ছদ্মবেশে ঘুষ লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে। এসময় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাজীব রায় এবং তার সঙ্গী দালাল মাইনুদ্দীনকে ঘুষের ৩০ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।”

এ বিষয়ে দুদকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগ ছিল হোমল্যান্ড প্লাস্টিক স্যু ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক আমির হোসেন জাপান থেকে অ্যাক্রিলিক মেশানো প্লাস্টিকের ভাঙা টুকরা ও বাতিল অংশের একটি চালান আমদানি করেন। 

“ওই চালানের মূল্য ৬ হাজার ৪২৮ ডলার। চালানটি ছাড় করাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করলে শুল্কায়ন সেকশন-৭(বি)-এর সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাজীব রায় ও মো. ছারওয়ার উদ্দিন ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি করে নির্ধারিত রেটের বাইরে অতিরিক্ত ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং টাকা না দিলে পণ্য ছাড় করতে বিলম্ব ও নিলামে বিক্রির হুমকি দেন।”

হোমল্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রির মালিক আমির হোসেন ‘ঘুষ দাবির’ বিষয়ে দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। পরে চট্টগ্রাম-১ কার্যালয় বিশেষ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

অভিযান শেষে আটক দু’জনকে মামলা করার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, বলেন দুদক কর্মকর্তা সুবেল আহমেদ। 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।