Published : 25 Oct 2025, 10:38 PM
চট্টগ্রামের রাউজানে নিজ বাড়ির কাছে গুলিতে প্রাণ গেছে এক যুবদল কর্মীর।
শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রাউজান পৌর সদরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রাশিদার পাড়া সড়কে একটি কবরস্থানের কাছে তাকে গুলি করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
নিহত মোহাম্মদ আলমগীর ওরফে আলমের (৫০) বাড়ি রাশিদার পাড়া এলাকাতেই।
রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, “একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান সেরে নিজ বাড়িতে যাবার সময় কবরস্থানের জঙ্গলে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা আলমগীরকে গুলি করে হত্যা করে।”
এরপর তার মোটরসাইকেল ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায় গেছে হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা।
আলমগীরকে ‘যুবদলের নেতা’ দাবি করে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি গোলাম আকবর খোন্দকার।
তার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আলমগীর আওয়ামী শাসনামলে ১২ বছর কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি কারাগার থেকে ছাড়া পান।”
চট্টগ্রামে গিয়াস উদ্দিন কাদেরের অনুসারীদের সঙ্গে গোলাম আকবর খোন্দকারের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের। গত বছরের ৫ অগাস্ট সরকার পতনের পর দুই নেতার অনুসারীদের মধ্যে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষ হয়েছে।
দুই পক্ষের বিরোধে এক বছরে অন্তত ১০ জন বিএনপি কর্মী খুন হয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে প্রচার ও গণমাধ্যমে খবর এসেছে।
গত ২৯ জুলাইয়ের বিকালে সংঘর্ষের পর রাতেই কেন্দ্র থেকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করে গিয়াস উদ্দিন কাদেরের পদ স্থগিত করা হয়।
এরপর গত ৭ অক্টোবর হাটহাজারীর মদুনাঘাট এলাকায় গাড়ি আটকে গুলি করে খুন করা হয় আব্দুল হাকিম নামে রাউজানের এক বিএনপি কর্মীকে, যিনি গিয়াস কাদের চৌধূরীর অনুসারী ছিলেন।