১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বর্ণালঙ্কার গায়েব: ইসলামী ব্যাংকের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

অভিযোগে রোকেয়া বারী তার ১৪৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Jun 2024, 10:06 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:42 AM

চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের লকার থেকে স্বর্ণালঙ্কার গায়েবের ঘটনায় ব্যাংকের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। 

সোমবার রাতে চকবাজার থানায় ব্যাংকের গ্রাহক রোকেয়া আক্তার বারী অভিযোগটি করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল মাওলা, কোম্পানি সেক্রেটারি জে কিউ এম হাবিব উল্লাহ, চকবাজার শাখার ব্যবস্থাপক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম শফিকুল মাওলা চৌধুরী ও লকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইউনুস। 

চকবাজার থানার ওসি ওয়ালী উদ্দিন আকবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ব্যাংকের গ্রাহক অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছেন। যেহেতু এটি ব্যাংকের বিষয় সেটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তফসিলভুক্ত। তাই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অভিযোগটি আমরা দুদকে প্রেরণ করব।”

রোকেয়া বারী অভিযোগ করেছেন, ২০০৬ সাল থেকে তিনি ও তার মেয়ে নাসিয়া মারজুকা যৌথভাবে লকারটি বরাদ্দ পেয়ে ব্যবহার করে আসছেন। লকারে তিনি, তার মেয়ে ও পরিবারের সদস্যদের মোট ১৬০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রাখা ছিল। 

ইসলামী ব্যাংকের লকারে রাখা ১৪০ ভরি স্বর্ণ 'গায়েব', তদন্তে কমিটি

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২৯ মে দুপুরে তিনি ব্যাংকে স্বর্ণালঙ্কার আনতে গেলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ইউনুস মূল দরজা খোলার পর তার লকার খোলা বলে জানান। 

অভিযোগে রোকেয়া বারী তার ১৪৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন। 

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খোয়া যাওয়া অলঙ্কারের মধ্যে ৬০ ভরি ওজনের ৪০টি হাতের চুড়ি, ২৫ ভরির চার সেট জরোয়া, ১০ ভরি ওজনের গলার সেট, ২৮ ভরি ওজনের সাতটি গলার চেইন, ১৫ ভরি ওজনের ২৫টি আংটি ও ১১ ভরি ওজনের ৩০ জোড়া কানের দুল রয়েছে। 

গত ২৯ মে ব্যাংকের গ্রাহক রোকেয়া স্বর্ণ গায়েবের বিষয়ে চকবাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে চেয়েছিলেন। ওইসময় তাকে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।