কোভিড: চট্টগ্রামের মেমন-২ হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টার চালু
“এখানে অক্সিজেন সরবরাহ ও রোগীর যত্ন নেওয়ার জন্য ডাক্তার, নার্স ও জনবল সব আছে,” বলেন মেয়র।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পরিচালিত মেমন-২ হাসপাতালে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের জন্য আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ২০ শয্যার এই আইসোলেশন সেন্টার উদ্বোধন করেন।
চলতি মাসে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পর চট্টগ্রামে এই প্রথম কোনো আইসোলেশন সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হল।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর সদরঘাটে মেমন-২ হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, “যদি আইসোলেশন সেন্টার করা যায়, তাহলে রোগীরা এলাকাভিত্তিক সুবিধা পাবে। এই চিন্তা থেকে এই আইসোলেশন সেন্টারটি করেছি। সদরঘাট, নিউ মার্কেট এই এলাকার রোগীরা সুবিধা পাবে।
“এখানে অক্সিজেন সরবরাহ ও রোগীর যত্ন নেওয়ার জন্য ডাক্তার, নার্স ও জনবল সব আছে। আরো জনবল দরকার তা দেওয়া হবে। এরকম আইসোলেশন সেন্টার আরো দরকার। চট্টগ্রামে বেসরকারি ৮-১০টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আছে। তারাও আইসোলেশন সেন্টার করলে রোগীরা দ্রুত চিকিৎসা পাবে।”
মেয়র বলেন, “সব জায়গায় ভ্যাকসিনেশন সুবিধাও থাকা দরকার। এখানে নিয়মিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।”
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বুধবারের প্রতিবেদন অনুসারে, চট্টগ্রাম জেলায় মোট ৯৯ জন করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৮৮ জনই নগরীর বাসিন্দা। বাকি ১১ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
এবছর জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনই জেলার বাসিন্দা। অন্যজন নোয়াখালী থেকে চিকিৎসা নিতে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এসেছিলেন।
সম্প্রতি চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা দেওয়ার পর জেনারেল হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে পাঁচটি আইসিইউ শয্যা আছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও কোভিড ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
