Published : 04 Feb 2026, 01:03 AM
চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১১ দলীয় জোট থেকে এনসিপির জোবাইরুল হাসান আরিফ ভোট করলেও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি জামায়াতের প্রার্থী আবু নাছের।
সময় শেষ হওয়ার পরে সংবাদ সম্মেলন করে তার সরে যাওয়ার ঘোষণা দেয় জামায়াত, তবে দলটির নেতাকর্মীরা নাছেরের পক্ষেই ভোটের মাঠে আছেন।
১১ দলীয় জোটের এ ধোঁয়াশা পরিস্থিতির কারণে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ এখন ‘নির্ভার’ বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।
তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রশ্নে প্রার্থীদের কাউকেই দুর্বল ভাবছেন না এরশাদ উল্লাহ।
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী দিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে শরিক খেলাফত মজলিস এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে এলডিপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রার্থী দেয়নি জামায়াত।
তবে গত ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের ঘণ্টা-দুয়েক পরে নগর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন দলের সহকারী সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের নির্বাচনী সমন্বয়ক মো. মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী আসনটিতে এনসিপিকে সমর্থন দিয়ে তাদের দলীয় প্রার্থী আবু নাছের নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
মোরশেদুল বলেছিলেন, “দলীয় সিদ্ধান্তে জোটের ঐক্যের স্বার্থে এনসিপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে আবু নাছের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”
গত সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াত ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় ১১ দলীর জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপির’র আরিফের হাতে শাপলা কলি প্রতীক তুলে দেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।
তবে স্থানীয় জনসমর্থনের কারণে আবু নাছেরের পক্ষে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তার অনুসারীরা। মিছিল-সমাবেশও হচ্ছে তার পক্ষে; যেখানে বড় সংখ্যক জনসমাগম দেখা যাচ্ছে।
এ কারণে স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, হারানো আসন পুনরুদ্ধার সহজ হচ্ছে বিএনপির।
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার এই চট্টগ্রাম-৮ আসনেই। বোয়ালখালী উপজেলা ও নগরীর ৩ থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখের বেশি।
১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এ আসনটি ছিল বিএনপির নিয়ন্ত্রণে। নবম সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাসদ নেতা বাদল নৌকা প্রতীক নিয়ে এ আসনে বাজিমাত করেন।
বিএনপি নেতা প্রয়াত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৯১ সালে এ আসন থেকে নির্বাচন করে এমপি হয়েছিলেন। সে সময় তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম বিএসসি।
পুরনো এই আওয়ামী লীগ নেতা ১৯৯৬ সালেও নৌকা নিয়ে ভোট করে পরাজিত হন। ওই নির্বাচনে বিএনপির টিকেটে প্রথমবার ভোট করে এমপি হয়ে যান ব্যবসায়ী মোর্শেদ খান।
এরপর ২০০১ সালে টানা দ্বিতীয়বারের মত এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে চারদলীয় জোট সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পান মোর্শেদ খান। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন আবুল কালাম।
সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মোর্শেদ খান বিদেশে পালিয়ে গেলে বিএনপি ২০০৮ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছিল এরশাদ উল্লাহকে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ তাদের মহাজোটের শরিক জাসদের মঈনুদ্দীন খান বাদলকে এ আসনে প্রার্থী করে।
বাদল নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট করে এ আসনে বিএনপির দীর্ঘদিনের কর্তৃত্বের অবসান ঘটান। ২০১৪ সালে বিএনপিবিহীন নির্বাচনে তিনিই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আবু সুফিয়ানকে মনোনয়ন দেয় দলটি।
মঈনুদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া উপ নির্বাচনে বিএনপিও অংশ নিয়েছিল এবং আবু সুফিয়ানকে প্রার্থী করেছিল।
এবার আসনটিতে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে এরশাদ উল্লাহকে। আর আবু সুফিয়ানকে দিয়েছে চট্টগ্রাম-৯ আসনে।
এরশাদ-নাছের- আরিফ ছাড়াও আসনটিতে ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম (হাতপাখা) ও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান (মোমবাতি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হলেও প্রার্থীরা প্রত্যেক নির্বাচনে এ আসনের বোয়ালখালী উপজেলার দিকে বেশি নজর রাখেন।
আসনটিতে মোট ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯৪ জন ভোটার বোয়ালখালী উপজেলার। আর নগরীর ৩-৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৮ হাজার ৭৪২ জন।
যা ভাবছেন ভোটাররা
বোয়ালখালী উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ভোটার জসীম উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এরশাদ উল্লাহ এ আসনে পরিচিত মুখ। জামায়াতের প্রার্থী যদি সরে যায়, তাহলে এরশাদ উল্লাহর একপ্রকার জয় নিশ্চিত হয়ে গেছে।”
তিনি বলেন, “নির্বাচনে ব্যক্তি ও আঞ্চলিকতা একটা প্রভাব বিস্তার করে। আমরা ধরে নিয়েছিলাম এরশাদ উল্লাহর সাথে ডাক্তার সাহেবের (আবু নাছের) একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। দলীয় সিদ্ধান্তে যদি ডাক্তার সাহেব সরে যান, সেখানে আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে না।”
জসীমের ভাষ্য, বর্তমানে যে রাজনৈতিক বাস্তবতা দাঁড়িয়েছে, তাতে এরশাদ উল্লাহকে আসনটি উপহার দেওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে।
মোহরা এলাকার ভোটার মো. সায়েমও মনে করেন, এ আসনটিতে জয়ী হওয়া এবার এরশাদ উল্লাহর জন্য সহজ হতে পারে।
“প্রচার-প্রচারণা থেকে পরিচিতি সবকিছুতেই এরশাদ উল্লাহ এগিয়ে আছেন। পারিবারিক পরিচিতিসহ সব মিলিয়ে এরশাদ উল্লাহকে সাধারণ লোকজন চেনেন। আবার ৫ অগাস্টের পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় ডা. নাছেরও দেখা গেছে। চিকিৎসক হিসেবেও তার একটা সুনাম আছে। তিনি না থাকলে নির্বাচন এক তরফাও হয়ে যেতে পারে।”
বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও অংশের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিকভাবে এরশাদ উল্লাহর পরিচিতি থাকলেও আবু নাছেরের পরিচয় মূলত চিকিৎসক হিসেবে। বছর খানেক ধরে জামায়াত প্রার্থী হিসেবে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি।
এলাকার লোকজনের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও তিনি ডাক্তার হিসেবে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন, যেটাকে বিবেচনায় নিয়েছেন তার ভোটাররা।
স্থানীয় ভোটরদের ভাষ্য, বয়সে তরুণ এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল আরিফ তরুণ ভোটারদের মাঝে পরিচিতি থাকলেও বয়স্ক এবং মধ্য বয়স্ক ভোটারদের মধ্যে তার তেমন পরিচিতি নেই। আবার সাথে ‘মার্কারও’ একটি বিষয় আছে।
এদিকে দল থেকে প্রার্থী সরে যাওয়ার কথা বলা হলেও আসনটিতে আবু নাছেরের সমর্থনে জামায়াত কর্মীদের বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করতে দেখা গেছে। সেসব মিছিল-সমাবেশ থেকে এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল আরিফকে উদ্দেশ্য করে ‘বহিরাগত’ বলেও মন্তব্য করতে শোনা যায়।
২৯ জানুয়ারি নগরীর বহদ্দারহাটে ব্যাপক শোডাউন করা হয় আবু নাছেরের সমর্থনে। শনিবার বিকালে বোয়ালখালী পৌরসদরে তার উপস্থিতিতে মিছিল হয়। সেই মিছিলে গলায় ফুলের মালা পরে নাছের জনগণের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
বোয়ালখালী উপজেলাসহ পাঁচলাইশের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াত প্রার্থী আবু নাছেরের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে বিভিন্ন ব্যানার দেখা গেছে। সেই হিসেবে শাপলাকলি প্রতীকের তেমন কোনো প্রচারণা দেখা যাচ্ছে না।
শাকপুরা, গোমদণ্ডী ও উপজেলা সদরের বেশ কয়েকজন দোকানি বলেন, এনসিপি প্রার্থীকে তেমন কেউ চেনেন না। নতুন দল হিসেবে তৃণমূলে তেমন কোনো সাংগঠনিক ভিত্তিও নেই দলটির। কিছু তরুণ নিয়ে এনসিপি প্রার্থী এসে বিভিন্ন বাজার, মাদ্রাসা, মসজিদ, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তবে তার হয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোনো প্রচারণা চালাতে দেখা যায়নি কাউকে।
স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, জামায়াত ইসলামীর ছেড়ে দেওয়া দুটি আসনে দলীয় নেতাকর্মীরা শরিক দলের হয়ে প্রচারণায় অংশ নিলেও চট্টগ্রাম-৮ আসনে এমনটি দেখা যাচ্ছে না। জোট থেকে এনসিপি’র আরিফকে প্রার্থী ঘোষণা করলেও ব্যালটে জামায়াতের প্রার্থী ও প্রতীক থাকবে। এ কারণে এ আসনে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর সঙ্গে জামায়াতের আবু নাছেরের।
সরে যাওয়ার ঘোষণার পরও প্রচারণা চলার বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আবু নাছেরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলে অপারগতা প্রকাশ করেন।
আবু নাছের বলেন, “পরিস্থিতিতো পাল্টে গেছে। জোটের প্রার্থী দিয়েছে। আর ব্যালটে তো নাম থেকে যাবে, আর ভোটারদের ওপরতো আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। সেটা তারা ভালো বুঝবে।”
আর এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল আরিফ বলছেন, জোটের পক্ষ থেকে ‘সর্বোচ্চ সহযোগিতা’ থাকলে আসনটিতে জয়ী হবেন তিনি।
বিরোধী পক্ষ থেকে ‘বহিরাগত’ তকমা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার দাদার বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলায়। আমিতো চান্দগাঁও এলাকায় বেড়ে উঠেছি।
“এখানে আমার বাসা বাড়ি। আমার সবকিছুতো এই এলাকায়। আমি কোনোভাবেই বহিরাগত না।”
আর এরশাদ উল্লাহর ভাষ্য, “ভোটের মাঠে সবাই সমান। কোন প্রার্থী দুর্বল না। রাজনীতি একটা স্পোর্টস।”
ভোটের ভাগ বসাবে মোমবাতি!
বোয়ালখালী এলাকার বেশ কয়েকজন ভোটার নাম প্রকাশ না করে বলেন, জয়ী হতে না পারলেও নির্বাচনে ভালো একটা অবস্থানে আসতে পারেন মোমবাতি প্রতীকে ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান।
তাদের ভাষ্য, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মসজিদ থেকে ইমাম, খতিবদের সরিয়ে দেওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। যাদের সরিয়ে দেওয়া হয়, তারা সুন্নী মতাদর্শের।
এ আসনে এ পন্থীদের একটি নির্দিষ্ট ভোট আছে। এসব ভোট যেতে পারে ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থীর পক্ষে।
আলোচনায় কালুরঘাট সেতু
এ আসনটিতে চট্টগ্রাম নগরীর সাথে বোয়ালখালী উপজেলার সংযোগ ঘটিয়েছে কালুরঘাট সেতু। শহরের সাথে স্বল্প দূরত্বের এ উপজেলার অনেক মানুষকে শহরে থাকতে হয় শুধু যাতায়াত ভোগান্তির কারণে। শতবর্ষী এক মুখী কালুরঘাট সেতু দিয়ে পারাপার হতে বোয়ালখালী অংশের লোকজনকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
কর্ণফুলী নদীর ওপর নতুন একটি সেতু নির্মাণের দাবি তাই ঘুরে ফিরে আসে নির্বাচন আসলেই। আর চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থীরাও তাদের ভোটের প্রচারে নতুন সেতুর অঙ্গীকারে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
গত ১৪ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউস থেকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্থরের স্মারক ফলক উম্মোচন করেন। ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের সাত মাস পেরোলেও এখনও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।
সরোয়ার আলম নামে চরণদ্বীপ এলাকার এক ভোটার বলেন, “বোয়ালখালী থেকে শহরের দূরত্ব বেড়েছে একমাত্র সেতুর কারণে। এখানে সেতু নির্মাণ হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নও তরান্বিত হবে।”
প্রত্যেক প্রার্থী তাদের নির্বাচনি প্রচারে কালুরঘাট সেতুকে গুরুত্ব দিতে দেখা গেছে।
এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল আরিফ বলেন, “কালুরঘাট সেতু নির্মাণ আমার প্রথম নির্বাচনী প্রাধান্য। সংসদের যেতে পারলে আমার প্রথম প্রায়েরিটি থাকবে কালুরঘাট সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করে তা দ্রুত সময়ে শেষ করার।”
এরশাদ উল্লাহ মনে করেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনটি ভৌগলিক দিক থেকে ‘বৈচিত্রময়’। নদীর এক পাশে বোয়ালখালী উপজেলা আর একপাশে নগরীর পাঁচটি ওয়ার্ড নিয়ে এ আসন গঠিত। তবে এ আসনের এক পাশে আলো, আরেক পাশে অন্ধকার।
বোয়ালখালীকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, “কালুরঘাট সেতু আমাদের প্রথম পদক্ষেপ হবে। এ সেতু নির্মাণ হলে ব্যাপক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বোয়ালখালী অংশে শিল্পায়ন হবে।”
এদিকে নদীর তীরবর্তী কয়েকটি ইউনিয়নে নদী ভাঙন প্রবণতার কথা উল্লেখ করে এরশাদ উল্লাহ বলেন, “নদীর ভাঙনে অনেকের জায়গা জমি বিলীন হচ্ছে, ফসলের এবং রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে।”
এসব বিষয়ে পরিকল্পনা করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তরের পক্ষেও বলছেন ধানের শীষের প্রার্থী।
চট্টগ্রাম-৮: প্রতীক বরাদ্দের পর সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা জামায়াত প্রার্থীর
'জনগণের টাকায়' ভোট করতে চান চট্টগ্রাম এনসিপির আরিফ
‘রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তঃকোন্দলে কালুরঘাট সেতু নির্মাণে বিলম্ব’