১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামের প্রার্থীদের আর্থিক তথ্য চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে রিটার্নিং কর্মকর্তার চিঠি

শুক্রবার থেকে বোরবার চলবে মনোনয়নপত্র বাছাই।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Jan 2026, 06:37 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:27 PM

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণ, সেবা প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বিলের তথ্য চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে চিঠি পাঠিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। 

আগামী শুক্রবার থেকে মনোনয়নপত্র বাছাই শুরুর আগে তথ্য জানতে এসব ব্যাংক, বীমা ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। 

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু হবে। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীদের দেওয়া আর্থিক তথ্যের হিসাব জানতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে মঙ্গলবার চিঠি পাঠিয়েছেন। 

“পাশাপাশি প্রার্থীরাও তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে বাছাইয়ের দিন বিভিন্ন নথিপত্র নিয়ে হাজির হবেন।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন তিনজন। 

তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম-৪, ৫ এবং ৮-১০ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন বিভাগীয় কমিশনার। চট্টগ্রাম-১১ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং বাকি ১০টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক। 

চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে বিভিন্ন দলের এবং স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ২৩১ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। তার মধ্যে ১৪৩ জন জমা দিয়েছেন। 

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসব মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। 

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক যে ১০টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন সেগুলোর মধ্যে ২ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম- ১ (মিরসরাই), চট্টগ্রাম- ২ (ফটিকছড়ি) ও চট্টগ্রাম- ৩ (সন্দ্বীপ) আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে।  

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই উপজেলা) এ আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি উপজেলা) নয় জন ও চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে পাঁচ জন করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

৩ জানুয়ারি (শনিবার) চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান), চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া), চট্টগ্রাম- ১২ (পটিয়া) আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। 

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান উপজেলা) আসনে পাঁচ জন, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া উপজেলা) নয় জন এবং চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া উপজেলা) আসনে ১১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

৪ জানুয়ারি (রোববার) চট্টগ্রাম-১৩ থেকে ১৬ নম্বর আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। 

এসব আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১৩ (আনেয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলা), চট্টগ্রাম- ১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) ও চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে নয়জন করে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।  

আর চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া উপজেলা ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিন জন।

এদিকে বিভাগীয় কমিশনারের অধীনে থাকা চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড) ও চট্টগ্রাম- ৫ (হাটজহাজারি উপজেলা ও নগরীর ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড) আসনের প্রার্থীদের মনোনয়পত্র বাছাই করা হবে ৩ জানুয়ারি। 

পরদিন চট্টগ্রাম-৮ থেকে ১০ নম্বর আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে।

বিভাগীয় কমিশনারের অধীনে থাকা আসনগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরী ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড) আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটাহাজারি উপজেলা ও নগরীর ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড) ১০ জন, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও নগরীর চান্দগাঁও এবং পাঁচলাইশ, বায়েজিদ আংশিক) এ আসনে নয় জন এবং এদিকে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয় চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী, বাকলিয়া) আসনে ১২ জন এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনে ১১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা) আসন ১২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল ২৯ ডিসেম্বর। বাছাই, আপিল, নিষ্পত্তি শেষে প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। 

২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ ও পরদিন থেকে প্রচারণার সুযোগ রয়েছে। সেক্ষেত্রে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭ পর্যন্ত প্রচারণা করা যাবে। ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।