১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

আর্চারকে সামলানো সাহিবজাদার জন্য ‘বড় কিছু নয়’

পাকিস্তানি ওপেনার বলেছেন, ঘরোয়া ক্রিকেটে এমন বোলারের বিপক্ষে খেলে অভ্যস্ত তিনি।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Feb 2026, 01:57 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:01 PM

জফ্রা আর্চারের হাত থেকে ছুটে আসা বল কখনও হয়ে ওঠে আগুনোর গোলা। কখনও ছোবল দেয় সাপের মতো ফণা তুলে। গতি আর বাউন্সে ব্যাটসম্যানদের প্রায়ই কাঁপিয়ে দেন ইংল্যান্ডের এই ফাস্ট বোলার। তবে তার মুখোমুখি হওয়ার আগে ভড়কে যাচ্ছেন না সাহিবজাদা ফারহান। পাকিস্তানি ওপেনার বললেন, এমন গতির বল ঘরোয়া ক্রিকেটে অহরহ খেলেন তারা।

এবারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সফলতম ব্যাটসম্যান সাহিবজাদা। আর্চারের ফর্ম ভালো-মন্দ মিশিয়ে। এখনও তার সেরা বিধ্বংসী চেহারা দেখা যায়নি। তবে সময়ের সঙ্গে নিজেকে খুঁজে পেতে শুরু করেছেন। 

আসরের শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না আর্চারের। প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে ৪২ রান দিয়ে কেবল এক উইকেট নিতে পারেন তিনি। পরের ম্যাচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক শিকার ধরতে খরচ করেন ৪৮ রান। 

এরপর কিছুটা ঘুরে দাঁড়ান ৩০ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ২৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নেওয়ার পর ইতালির সঙ্গেও নেন ৩৫ রানে দুই উইকেট। আসরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো বোলিং করেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচে।

১৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামা লঙ্কান ব্যাটিংয়ে শুরুতে ছোবল হানেন আর্চার। ছন্দে থাকা পাথুম নিসাঙ্কাকে দ্রুত বিদায় করেন তিনি। আরেক ওপেনার কামিল মিশারাও ছিলেন তার শিকার। প্রতিপক্ষকে ৯৫ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পথে ২০ রানে দুই উইকেট নিয়ে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

যে মাঠে দেড়শর কম পুঁজি নিয়েও লঙ্কানদের ৫১ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড, সেই পাল্লেকেলেতেই মঙ্গলবার ইংলিশদের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। 

চেনা উইকেটে আবার ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতেই পারেন আর্চার। সব ঠিকঠাক থাকলে তার নতুন বলের তোপ সামলাতে হবে সাহিবজাদাকে। পাকিস্তানের এই ওপেনার বললেন, তিনি নির্ভারই আছেন।

“জফ্রা আর্চারের মুখোমুখি হওয়া কোনো বড় কিছু নয়। পাকিস্তানে আমরা এমন বোলারদের বিপক্ষে খেলি, যারা ১৪৫ কিমি গতির আশেপাশে বোলিং করে।”

“তাই এটা কোনো বড় সমস্যা নয়। তবে সে আমাকে নিয়ে অবশ্যই পরিকল্পনা করবে। আমারও তাকে নিয়ে পরিকল্পনা আছে।”

ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচে সহায়ক উইকেটে দারুণ বোলিং করেছিলেন দুই দলের স্পিনাররা। লঙ্কান বাঁহাতি স্পিনার দুনিথ ওয়েলালাগে তিনটি ও অফ স্পিনার মাহিশ থিকশানা নিয়েছিলেন দুটি উইকেট।

শ্রীলঙ্কার ১০ উইকেটের সাতটিই নিয়েছিলেন ইংলিশ স্পিনাররা। অফ স্পিনে উইল জ্যাকস তিনটি, বাঁহাতি স্পিনে লিয়াম ডসন ও লেগ স্পিনে আদিল রাশিদ দুটি করে শিকার ধরেছিলেন।

পাকিস্তান-ইংল্যান্ড ম্যাচেও স্পিনাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সাহিবজাদা। এই বিভাগে নিজেদেরকেই বেশি শক্তিশালী মনে করছেন তিনি।

“শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড ম্যাচে আমরা দেখেছি বল গ্রিপ করেছে এবং ইংল্যান্ড স্পিনের বিপক্ষে ভুগেছে। শ্রীলঙ্কার একজন কিংবা দুইজন স্পিনার আছে, কিন্তু আমাদের সব মিলিয়ে পাঁচজন। বল গ্রিপ করবে এমন পিচে আমরা ইংল্যান্ডকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলব।”