Published : 16 Feb 2026, 08:03 AM
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত সুরিয়াকুমার ইয়াদাভ। এই জয় পুরো দেশের মানুষকে উৎসর্গ করেছেন ভারত অধিনায়ক।
কলম্বোয় রোববার পকিস্তানকে পাত্তাই দেয়নি ভারত। ৬১ রানের জয়ে তারা নিশ্চিত করে সুপার এইটের টিকেট। ১৭৫ রানের পুঁজি গড়ে চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের ১১৪ রানে গুটিয়ে দেয় শিরোপাধারীরা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারত এগিয়ে গেল ৮-১ ব্যবধানে।
ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণী আয়োজনে সুরিয়াকুমার বললেন, যেভাবে তারা খেলতে চেয়েছিলেন, সেটা তারা পেরেছেন।
“এটা (জয়) ভারতের জন্য (মুখে হাসি), আমরা একই ধরনের ক্রিকেট খেলেছি, যা আমরা খেলতে চেয়েছি। টসের সময়ও তা বলেছিলাম। আমার মনে হয়, এই উইকেটে প্রথমে ব্যাটিং করাই ছিল ভালো। আর ইশান যেভাবে ব্যাট করেছে এবং গত কয়েকটি ম্যাচে ও ঘরোয়া ক্রিকেটেও যেভাবে ব্যাট করেছে, সে একইভাবে ব্যাট করেছে এবং দলকে এগিয়ে নিয়েছে।”
আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে উইকেট ছিল মন্থর। স্পিন ধরেছে বেশ। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই আভিশেক শার্মাকে হারায় ভারত। সেই ধাক্কা সামলে বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন ইশান কিষান, নবম ওভারে যখন তিনি বিদায় নেন, দলের ৮৮ রানের মধ্যে তার একার অবদানই ৭৭! ৪০ বলে ১০ চার ও তিন ছক্কায় গড়া ইনিংসে ম্যাচ-সেরার স্বীকৃতিও পান এই কিপার-ব্যাটসম্যান।
মন্থর উইকেটে শুরুতে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা ছিল কি না, এমন প্রশ্নে ভারত অধিনায়ক বলেন, “ঠিক তা নয়।”
“আমরা যেভাবে খেলছিলাম, সেভাবেই খেলতে চেয়েছি। আমার মনে হয়, ইশান গতানুগতিক ধারার বাইরেও কিছু ভেবেছিল। শুরুতে উইকেট হারানোর পর পাওয়ার প্লেতে কাউকে দায়িত্ব নিতে হয় এবং সেই দায়িত্ব যেভাবে সে নিয়েছে, তা ছিল দারুণ ব্যাপার। আমরা পাওয়ার প্লেতে অনেক ভালো অবস্থায় ছিলাম। সাত থেকে ১৫ ওভারের মধ্যে অবস্থা কিছুটা কঠিন ছিল, কিন্তু এটিই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সৌন্দর্য এবং তিলাক (ভার্মা), শিভাম (দুবে) ও রিঙ্কু (সিং) যেভাবে ব্যাট করেছে, তা ছিল প্রশংসনীয়।”
বোলিংয়ে প্রথম ওভারেই দলকে সাফল্য এনে দেন হার্দিক পান্ডিয়া। দ্বিতীয় ওভারে জোড়া শিকার ধরেন জাসপ্রিত বুমরাহ। পরে স্পিনাররাও ভালো বোলিং করেন। বোলিংয়ের পরিকল্পনাও জানালেন ভারত অধিনায়ক।
“ওদের বিপক্ষে আমরা আগে যেভাবে খেলেছি, সেই একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছি। হার্দিক নতুন বল নিল, প্রথম বল থেকে দায়িত্ব নিল, তারপর বুমরাহ এলো, যা সে সবচেয়ে ভালো করে, সেটাই করল। সে বিশ্বকে দেখিয়ে দিল, কেন সে বিশ্বের সেরা বোলার। তারপর ভারুন (চক্রবর্তি), কুলদিপ (ইয়াদাভ), আকসার (প্যাটেল), এমনকি তিলাকও এসে অবদান রাখল। সবার অবদান দেখাটা দারুণ।”