কামিন্দুর ‘প্রথম’ সেঞ্চুরি
শ্রীলঙ্কার সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে কোনো ফাইনালে সেঞ্চুরি করলেন তিনি।
ফাহিম আশরাফের বাউন্সার আপার কাট করে বাউন্ডারিতে পাঠালেন কামিন্দু মেন্ডিস। ৯৯ থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছে গেলেন শ্রীলঙ্কার ওপেনার। ওয়ানডেতে এই প্রথম তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শনিবার পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ ব্যাটিংয়ে ১০৭ বলে সেঞ্চুরিতে পা রাখেন কামিন্দু। সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পথে একটি ছক্কা ও ১০টি চার মারেন তিনি।
ওয়ানডে সংস্করণের বহুদেশীয় কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে সেঞ্চুরি করা শ্রীলঙ্কার সপ্তম ব্যাটসম্যান কামিন্দু। এই কীর্তি আছে সানাৎ জায়াসুরিয়া, মারভান আতাপাত্তু, তিলাকারাত্নে দিলশান, আরাভিন্দা ডি সিলভা, মাহেলা জায়াওয়ার্দেনে ও লাহিরু থিরিমান্নের।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক আগেই সেঞ্চুরির স্বাদ পেয়েছেন কামিন্দু। টেস্টে পাঁচটি শতক আছে তার। ওয়ানডেতে ৩৬ ম্যাচে পাঁচটি ফিফটির পর পেলেন সেঞ্চুরি।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এনিয়ে তৃতীয়বার তিন অঙ্ক স্পর্শ করলেন ২৮ বছর বয়সি কামিন্দু।
লাহোরে এদিন শুরু থেকে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন কামিন্দু। ইনিংসের পঞ্চম ও সপ্তম ওভারে একটি করে চার মারেন তিনি। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ছক্কায় ওড়ান এই ক্রিকেটার।
ত্রয়োদশ ওভারে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান কামিন্দু। আরাফাত মিনহাসের বলে তাকে ক্যাচ আউট দেন আম্পায়ার। পরে রিপ্লেতে দেখা যায় বলে নয়, প্যাডে ব্যাট লেগেছে তার। তখন ৩৬ রানে খেলছিলেন কামিন্দু।
এরপর ধিরলয়ে রান বাড়ান তিনি। ২০তম ওভারে চারের পর সিঙ্গল নিয়ে ৬২ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন এই ক্রিকেটার।
পঞ্চাশের পর তার রান তোলার গতি কিছুটা বাড়ে। ফিফটি থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে কামিন্দুর লাগে ৪৫ বল। ৩৪তম ওভারে কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কে পা রাখেন তিনি।
চলতি ত্রিদেশীয় সিরিজে একটি ফিফটিও করেছেন কামিন্দু, সেটিও পাকিস্তানের বিপক্ষে। প্রাথমিক পর্বে দ্বিতীয়বার স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়ে অপরাজিত ৬২ রান করেন তিনি।
