দু প্লেসির ১৪ ও ডি ককের ১০ বছর পর রিকেলটন
কেপ টাউন টেস্টে চাপের মুখে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি উপহার দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিপার-ব্যাটসম্যান।
৯৯ থেকে প্যাডের ওপর জশ হেইজেলউডের হাফ-ভলি বল লেগ সাইডে খেলে দুই রান নেওয়ার পথে সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন রায়ান রিকেলটন। উল্লাসে ফেটে পড়ল গ্যালারি। ড্রেসিং রুমেও ছড়িয়ে পড়ল উচ্ছ্বাস। হেলমেট খুলে ব্যাট উঁচিয়ে অভিবাদনের জবাব দিলেন রিকেলটন। ভিয়ান মুল্ডার ছুটে এসে তাকে জড়িয়ে ধরলেন।
কেপ টাউন টেস্টে চাপের মুখে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি উপহার দিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিপার-ব্যাটসম্যান। ছয় নম্বরে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ২১৮ বলে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন তিনি।
প্রায় ১৪ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের তৃতীয় বা চতুর্থ ইনিংসে ছয় নম্বরে বা এর নিচে নেমে সেঞ্চুরি করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো ক্রিকেটার। সবশেষ এই কীর্তি গড়েছিলেন ফাফ দু প্লেসি। ২০১২ সালের নভেম্বরে অ্যাডিলেইডে টেস্ট অভিষেকেই ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে অপরাজিত ১১০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
এছাড়া প্রায় ১০ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো কিপার-ব্যাটসম্যান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সেঞ্চুরি করলেন। সবশেষ ২০১৬ সালের নভেম্বরে হোবার্টে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন কুইন্টন ডি কক।
৮ রান নিয়ে শুক্রবার চতুর্থ দিনের ব্যাটিং শুরু করেন রিকেলটন। ৬ উইকেট হাতে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা তখন এগিয়ে কেবল ৪০ রানে। আগের দিন ১৯ রানে অপরাজিত ম্যাথু ব্রিটস্কি ফেরেন ৪৩ রান করে।
এরপর মুল্ডারের সঙ্গে শতরানের জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন রিকেলটন। ১০৫ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন তিনি। দিনের তৃতীয় সেশনে পা রাখেন কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরিতে।
৩০ বছর বয়সি এই ক্রিকেটারের ১৮ টেস্টের ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি এটি, সবকটিই ঘরের মাঠে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে গেবেখায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে করেন ১০১। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কেপ টাউনে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেন ২৫৯ রানের ইনিংস।
সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পরের ওভারেই মুল্ডারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটে কাটা পড়েন রিকেলটন। ১২ চারে ২১৯ বলে ১০১ রান করেন তিনি। মুল্ডারের সঙ্গে তার ৩১৯ বল স্থায়ী জুটিতে আসে ১৫৪ রান।
দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর তখন ৬ উইকেটে ৩৩৫, লিড ২৩৫ রানের।
