১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আবু হায়দারের ৭ উইকেটের ম্যাচে যত রেকর্ড

বিধ্বংসী বোলিংয়ে রেকর্ড বইয়ের পাতা ওলটপালট করে দিয়েছেন আবু হায়দার। 

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Apr 2024, 01:23 PM

Updated : 06 Apr 2024, 01:23 PM

পরপর দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তোলা আবু হায়দার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে এবার জ্বলে উঠেছেন তার মূল দায়িত্বে। বাঁহাতি পেসারের বোলিং তোপে ১০০ ওভারের ম্যাচ শেষ হয়ে গেছে স্রেফ ১৮.২ ওভারেই। রেকর্ড বইয়ের পাতা ওলট-পালট করে গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমির বিপক্ষে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব পেয়েছে বড় জয়।  

বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে শনিবার লিগের নবম রাউন্ডের ম্যাচে স্রেফ ২০ রানে ৭ উইকেট নিয়েছেন আবু হায়দার। গাজী টায়ার্সকে ৪০ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে মোহামেডান পেয়েছে ৯ উইকেটের জয়। আবু হায়দারের কীর্তিময় ম্যাচে হয়েছে আরও কিছু রেকর্ড। 

৭/২০ 

আবু হায়দারের এই পারফরম্যান্স লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে বাংলাদেশি বোলারদের তৃতীয় সেরা বোলিং। 

সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডটি ইয়াসিন আরাফাতের। ২০১৮ সালে আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে ৪০ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের তরুণ পেসার। 

তার আগে রেকর্ডটি দীর্ঘদিন ধরে রেখেছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে 'এ' দলের বিপক্ষে ১৭ রানে ৭ উইকেট নেন বাঁহাতি এই স্পিনার। 

গাজী টায়ার্সের বিপক্ষে এক পর্যায়ে স্রেফ ৩ রানে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন আবু হায়দার। পরের দুটি উইকেট নিতে আরও কিছু রান খরচ করায় তালিকায় পেছনে পড়ে যান তিনি।   

এছাড়া বাংলাদেশে লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে ৭ উইকেটের কীর্তি আছে জিম্বাবুয়ের শন উইলিয়ামস (২৫ রানে ৭ উইকেট) ও সাকলাইন সজিবের (৫৮ রানে ৭ উইকেট)। 

৪০ 

বাংলাদেশে লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর।  

২০০২ সালে জাতীয় ক্রিকেট লিগের ওয়ানডে সংস্করণে চট্টগ্রাম বিভাগকে ৩০ রানে অল আউট করে সিলেট বিভাগ। দুই দশকের বেশি সময় ধরে টিকে আছে এই রেকর্ড। 

পরে ২০১৩ সালে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে ৩৫ রানে গুটিয়ে যায় ক্রিকেট কোচিং স্কুল। 

এছাড়া পঞ্চাশের নিচে অল আউট হওয়ার নজির আছে আরও দুটি। ২০০৪ সালের জাতীয় লিগে রাজশাহীর বিপক্ষে খুলনার ইনিংস শেষ হয় ৪১ রানে।  ২০১৭ সালের প্রিমিয়ার লিগে খেলাঘর সমাজকল্যাণ সমিতির বিপক্ষে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব করে ৪৬ রান। 

১২ 

আবু হায়দারের সঙ্গে নাসুম আহমেদের সম্মিলিত আক্রমণে স্রেফ ১২ ওভারে গুটিয়ে গেছে গাজী টায়ার্স। এ দেশের লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে এটিই সংক্ষিপ্ততম ইনিংস। ২০১৭ সালে খেলাঘরের বিপক্ষে ভিক্টোরিয়ার ইনিংসের দৈর্ঘ্য ছিল ১৮.২ ওভার। 

সব মিলিয়ে লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে এর চেয়ে দ্রুত অল আউট হওয়ার রেকর্ড আছে আর একটি। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার প্রিমিয়ার লিমিটেড ওভার টুর্নামেন্টে কোল্টস ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ১০.৫ ওভারে গুটিয়ে যায় সারাকেন্স স্পোর্টস ক্লাব। 

২৬২ 

ছোট লক্ষ্যে স্রেফ ৬.২ ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় মোহামেডান। এই সংস্করণে বাংলাদেশের কোনো দলের এটিই সবচেয়ে বেশি বল (২৬২) বাকি থাকতে জয়ের রেকর্ড। 

২০০২ সালে জাতীয় লিগের একদিনের আসরের সংস্করণে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ২৬১ বল বাকি থাকতে জেতে সিলেট। 

এছাড়া ২৫০ বা তার বেশি বল থাকতে জয়ের নজির আছে আর একটি। গত বছরের প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডানকে ৮০ রানে অল আউট করে ২৫০ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নেয় লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।