১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান লড়াই দেখতে চান ব্রেট লি

ক্রিকেট থেকে রাজনীতিকে সরিয়ে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিং গ্রেট।

বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান লড়াই দেখতে চান ব্রেট লি
কেবল বৈশ্বিক ও এশিয়ান আসরেই দেখা হয় ভারত ও পাকিস্তানের। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Feb 2026, 08:23 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:52 PM

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই ক্রিকেট আঙিনায় বাড়তি উন্মাদনা। কিন্তু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে আসছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ বর্জন করেছে পাকিস্তান। সিদ্ধান্তটি ভালো লাগেনি ব্রেট লির। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াইগুলোর একটি হোক, খুব করে চান অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিং গ্রেট।

বিশ্বকাপের গ্রুপে পর্বে কলম্বোয় আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত-পাকিস্তানের। কিন্তু গত রোববার পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।

এরপর থেকে ক্রিকেট আঙিনায় শুরু হয় তোলপাড়। পাকিস্তানের সিদ্ধান্তটি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। পক্ষে-বিপক্ষে মতামত জানাচ্ছেন অনেকেই।

ক্রিকেটের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচগুলোর একটি মাঠে গড়াবে না, মানতে কষ্ট হচ্ছে ব্রেট লির। ‘মিস্টার ক্রিকেট ইউএই’ পডকাস্টে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী এই পেসার ক্রিকেট থেকে রাজনীতিকে বাদ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। 

“চলুন, ক্রিকেট থেকে রাজনীতি বাদ দেই। আমি সত্যিই আশা করি, ম্যাচটি হবে। আমি সত্যিই আশা করি তারা (ভারত-পাকিস্তান খেলার) সুযোগ পাবে, কারণ এই লড়াই অত্যন্ত রোমাঞ্চকর হবে। ভারত ও পাকিস্তান যখন একে অপরের বিপক্ষে খেলে, তখন পুরো বিশ্ব তা দেখে।”

বিশ্বকাপ নিয়ে এমন ঘোলাটে পরিস্থিতি শুরু রাজনৈতিক কারণেই তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রতিবাদের মুখে মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।

এরপর তুমুল উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক। নিরাপত্তা শঙ্কায় বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে বাংলাদেশ রাজি না হওয়ায়, তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেয় আইসিসি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থার এই সিদ্ধান্তকে দ্বিচারিতা বলে মন্তব্য করেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি, যিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তারপর আসে পাকিস্তান সরকারের ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত।