Published : 24 Aug 2026, 11:08 PM
প্রথম চারদিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিনটাও অস্বস্তি নিয়ে পার করেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। সারা দিনে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ব্যাটসম্যানদের জন্য তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারেননি সফরকারী বোলাররা। স্বাগতিকদের হয়ে মার্কেস অ্যাকারম্যানের দ্বিশতকের পর শতক করেছেন সিনেথেম্বা কেশিলে।
প্রিটোরিয়ায় সোমবার ৫ উইকেটে ৬২২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫০০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করবে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিন অঙ্কের ছোঁয়া পাওয়া দুই ব্যাটসম্যানই খেলেছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজেদের সেরা ইনিংস। ১৫তম সেঞ্চুরি তুলে ২৫৬ রানে থেমেছেন অ্যাকারম্যান। আর ষষ্ঠ সেঞ্চুরি পাওয়া কেশিলে ইনিংস ঘোষণার সময় অপরাজিত ছিলেন ১৯০ রানে।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন পেসার এনামুল হক। আগেরদিনের অবিচ্ছিন্ন ১৪৯ রানের জুটিতে আরও ২১ রান যোগ করে ফেরেন জুবাইর হামজা। ৭৮ রান করা এই ব্যাটসম্যানের ইনিংস সাজানো ছিল ১০ চার ও এক ছয়ে।
এরপর আর বলার মতো আর কোনো সাফল্যই পায়নি সফরকারীরা। উল্টো বড় জুটিতে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা।
হামজার বিদায়ের পর কেশিলে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে অ্যাকারম্যান যোগ করেন পৌনে তিনশ রান। বড় এই জুটির পথে দ্বিশতক পূর্ণ করেন তিনি।
২৮৭ রানের এই জুটি ভাঙে অ্যাকারম্যানের বিদায়ে। ২৩৭ বলের ইনিংসে ২৪ চার ও সাত ছয় মেরে নাঈম হাসানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। পরে দলীয় ৫৩৫ রানে রানআউট হয়ে ফেরেন ৩৮ রান করা গাভিন কাপলান।
পরে ডিলানো পটগেইটারের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ৮৭ রান যোগ করে দিনের বাকি অংশ পার করে দেন কেশিলে। তার ২৪৯ বলের ইনিংস সাজান ছিল ১৪ চার ও পাঁচ ছয়ে, আর পটগেইটার অপরাজিত ছিলেন ৩২ রানে।
৫০০ রানে পিছিয়ে থেকে মঙ্গলবার দিনের শুরুতে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। এর আগে প্রথম ইনিংসে ১২২ রানে অলআউট হয়েছিল।
৪২ ওভার বোলিং করে কোনো উইকেট পাননি হাসান মুরাদ। কেবল একটি মেডেন নিতে পারা বাঁহাতি এই স্পিনার দেন ২১৫ রান! অফ স্পিনার নাঈম ৩১ ওভারে ১৫২ রান দিয়ে নেন এক উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ‘এ’ দল ১ম ইনিংস: ১২২
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল ১ম ইনিংস: ১২৫ ওভারে ৬২২/৫ ডিক্লে. (আগের দিন ১৭০/২) (হামজা ৭৮, অ্যাকারম্যান ২৫৬, কেশিলে ১৯০, কাপলান ৩৮, পটগেইটার ৩২; ফাহাদ ১৮-১-৮৩-১, ইকবাল ৪-০-১৫-০, এনামুল ২০-২-৮৪-২, নাঈম ৩১-২-১৫২-১, মুরাদ ৪২-১-২১৫-০, মাহমুদুল ৩-০-২৯-০, আফিফ ৭-০-৩১-০)