১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

১৫ বছরের সুরিয়াভানশির ‘ভয়ে’ ছিলেন জেমিসন

ভারতীয় বিস্ময় বালকের মুখোমুখি হওয়ার আগে স্নায়ুচাপে ভুগছিলেন নিউ জিল্যান্ডের পেসার।

১৫ বছরের সুরিয়াভানশির ‘ভয়ে’ ছিলেন জেমিসন
সুরিয়াভানশিকে বোল্ড করার পর জেমিসন (বাঁয়ে)। ছবি: দিল্লি ক্যাপিটালস ফেইসবুক

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 May 2026, 08:47 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:32 PM

বোলারদের জন্য ত্রাস হয়ে উঠেছেন বৈভাব সুরিয়াভানশি। আইপিএলে বিশ্বকাপের তারকা সব বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে দেখা যাচ্ছে তাকে। দিল্লি ক্যাপিটালসের পেসার কাইল জেমিসন তো রীতিমত ভয় পাচ্ছিলেন ১৫ বছর বয়সী ভারতীয় বিস্ময় বালকের মুখোমুখি হতে।

রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুক্রবার আইপিএলে ফেরেন মিচেল স্টার্ক। সুরিয়াভানশির বিপক্ষে কেমন করেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা পেসার, আলোচনায় ছিল সেটি। কিন্তু সেই ‘পরীক্ষায়’ স্টার্ককে পড়তে দেননি জেমিসন।

ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে বোলিং করতে এসে ধ্রুভ জুরেলের বিপক্ষে প্রথম তিন বলে স্রেফ ১ রান দেন জেমিসন। চতুর্থ ডেলিভারিতে তাকে চার মেরে রানের খাতা খোলেন সুরিয়াভানশি। সেটি ছিল ম্যাচে রাজস্থান ওপেনারের মুখোমুখি হওয়া প্রথম বল।

সুরিয়াভানশিকে নিয়ে কিছুটা চাপে থাকা জেমিসন প্রতিশোধ নিতে দেরি করেননি। পরের বলেই দুর্দান্ত এক ইয়ার্কারে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের স্টাম্প ভেঙে দেন তিনি। আলোচিত এই তরুণকে ফিরিয়ে তার উদযাপন ছিল বাঁধনহারা।

শনিবার সকালে একটি ভিডিও প্রকাশ করে আইপিএল। যেখানে জেমিসন স্বীকার করেন সুরিয়াভানশিকে নিয়ে তার ভয়ে থাকার কথা।

“আমার মনে হয় না, জীবনে কখনও ১৫ বছরের কিশোরকে নিয়ে এতটা ভীত ছিলাম। ম্যাচটিকে সামনে রেখে আমরা পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছিলাম এবং সেটা কাজে লাগতে দেখে ভালো লাগছে।”

এবারের আইপিএলে এখন পর্যন্ত ১০ ইনিংসে ৪০৪ রান করেছেন সুরিয়াভানশি। দুটি ফিফটির সঙ্গে উপহার দিয়েছেন একটি সেঞ্চুরি। প্রতিপক্ষের বোলারদের গুঁড়িয়ে ২৩৭.৬৪ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করছেন তিনি।

রাজস্থানে তার উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী ইয়াশাসভি জয়সওয়ালও ভালো ছন্দে আছেন। ১০ ইনিংসে তিন ফিফটিতে ৩১২ রান করেছেন তিনি। দিল্লির বিপক্ষেও তার শুরুটা ছিল আশা জাগানিয়া। 

ম্যাচের প্রথম বলে স্টার্ককে ছক্কায় ওড়ান জয়সওয়াল। কিন্তু এক বল পরই তাকে ড্রেসিং রুমে ফেরত পাঠান স্টার্ক। গতিময় ফুলটসে টাইমিং করতে পারেননি ওপেনার। ব্যাটে লেগে আসা সহজ ক্যাচ নিয়ে তাকে নিদায় করেন বোলারই।

পরপর দুই ওভারে প্রতিপক্ষের বিস্ফোরক দুই ওপেনারের বিদায় দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন জেমিসন।

“বেশিরভাগ দলের ক্ষেত্রেই, তাদের দুই ওপেনার উড়ন্ত শুরু করতে চায়। ফুল টসে স্টার্কি একজনকে ফিরিয়েছে, ইয়র্কারে আমি আরেকজনকে। শুরুতে উইকেট নিয়ে পাওয়ারপ্লেতে রানের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারাটা দারুণ ছিল।”

পাওয়ার প্লেতে এদিন ৫৬ রান করে রাজস্থান। পরে রিয়ান পারাগ, জুরেল, ডনোভান ফেরেইরার ইনিংসে ২২৫ রান করতে পারে তারা। দুই ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা ও লোকেশ রাহুলের গড়ে দেওয়া ভিতে দাঁড়িয়ে ম্যাচটি পাঁচ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটে জিতে যায় দিল্লি।