২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ওমানকে গুঁড়িয়ে রেকর্ড বইয়ে ইংল্যান্ডের ঝড়

প্রথম দুই বলে ছক্কা মেরে ফিল সল্টের অনন্য কীর্তি; আদিল রাশিদ, জফ্রা আর্চার, মার্ক উডরাও গড়লেন রেকর্ড।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Jun 2024, 11:01 AM

Updated : 26 Aug 2026, 09:46 AM

অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর শঙ্কায় পড়ে যায় ইংল্যান্ডের সুপার এইটের টিকেট। পরের ধাপে যেতে বাকি দুই ম্যাচেই প্রয়োজন বড় জয়। এর প্রথমটিতে শুধু একগাদা রেকর্ড গড়ে ওমানকে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।

অ্যান্টিগায় বৃহস্পতিবার ওমানকে মাত্র ৪৭ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে ৩.১ ওভারেই ম্যাচ জিতে নেয় জস বাটলারের দল। ২৪০ বলের ম্যাচ শেষ হয়ে যায় মাত্র ৯৯ বলে। ৮ উইকেটের জয়ে সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখার পাশাপাশি রেকর্ড বইয়েও ঝড় তোলে ইংল্যান্ড।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক সব রেকর্ড

১০১

৪৮ রানের লক্ষ্য ১০১ বল বাকি থাকতেই টপকে যায় ইংল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একশর বেশি বল বাকি রেখে জয়ের প্রথম ঘটনা এটি। ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডসকে ৩৯ রানে গুটিয়ে ৯০ বল বাকি থাকতে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা।

এছাড়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বল বাকি রেখে জয়ের রেকর্ড এটি। সব মিলিয়ে যৌথভাবে নবম। 

৯৯

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পূর্ণাঙ্গ ম্যাচে এর চেয়ে কম বল খেলা হয়েছে আর একবার। ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডস ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচ শেষ হয়ে গিয়েছিল ৯৩ বলে। 

৪৭

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর চেয়ে কম রানে অল আউট হওয়ার ঘটনা আছে আর ৩টি। চলতি আসরেই পাপুয়া নিউ গিনিকে ৩৯ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসও থামে ৩৯ রানে। এছাড়া ২০২১ সালে একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৪৪ রানে অলআউট হয় ডাচরা।

৪৭

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ওমানের সর্বনিম্ন স্কোর। ২০২২ সালে নেপালের বিপক্ষে ৭৮ রানে অলআউট হয়েছিল তারা।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এর চেয়ে কম রানে অলআউট হয়েছে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০১৯ সালে ৪৫ রানে।

১

ওমানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পথে আদিল রাশিদ নেন ১১ রানে ৪ উইকেট। এছাড়া জফ্রা আর্চার ও মার্ক উড নেন ৩টি করে উইকেট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একই দলের তিন বোলারের অন্তত ৩ বার তার বেশি উইকেট নেওয়ার প্রথম ঘটনা এটি। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৯তম। 

তিন বোলার মিলে প্রতিপক্ষের সবকটি উইকেট নেওয়ার পঞ্চম ঘটনা এটি। বিশ্বকাপে প্রথম।

১

রান তাড়ায় প্রথম ওভারে বিলাল খানের প্রথম দুই বলে ছক্কা মারেন ফিল সল্ট। ‘বল বাই বল’ তথ্য থাকা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলোর মধ্যে ইনিংসের প্রথম দুই বলে ছক্কা মারার প্রথম ঘটনা এটি।

২০২৩ সালে স্পেনের বিপক্ষে ইনিংসের প্রথম ডেলিভারিটি 'নো বল' করেন আইল অব ম্যানের জোসেফ বুরোজ। পরে বৈধ দুই ডেলিভারিতে ছক্কা মারেন স্পেনের ওপেনার আওয়াইস আহমেদ।