এক খুঁটির ঘর ও ভয়াবহ ধস

বড় এক জুটি, নেই আর কোনো খুঁটি। বাংলাদেশের ইনিংসের গল্পটি ঠিক এইরকম। তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হকের জুটি ছাড়া ইনিংসে নেই আর কিছু। এই দুজনের বিদায়ের পর নেমেছে বিশাল ধস। দুটিই আলাদা জায়গা করে নিয়েছে রেকর্ড বইয়ে।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 28 Oct 2016, 12:39 PM
Updated : 28 Oct 2016, 02:43 PM

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ২২০ রানে। এক পর্যায়ে রান ছিল ১ উইকেটে ১৭১। ১ রানে ইমরুল কায়েসকে হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটে ১৭০ রানের জুটি গড়েছেন তামিম ও মুমিনুল। অতিরিক্তসহ বাকি সবাই মিলে করেছেন ৫০। এক জুটি থেকেই এসেছে ইনিংসে ৭৭.২৭ শতাংশ রান।

টেস্ট ইতিহাসে পূর্নাঙ্গ ইনিংসে শতাংশের হারে এক জুটিতে এর চেয়ে বেশি রান এসেছে কেবল একবারই; ২০০০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা-শ্রীলঙ্কার ‘বক্সিং ডে’ টেস্টে। ডারবানে ২ উইকেটে ১৭০ থেকে ২১৬ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। ২ রানে ২ উইকেট পড়ার পর তৃতীয় উইকেটে ১৬৮ রানের জুটি গড়েছিলেন কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে। দলের ৭৭.৭৮ শতাংশ রান এসেছিল এক জুটি থেকেই।

তামিম-মুমিমুলের জুটি ভাঙার পর ভেঙে পড়েছে বাংলাদেশও। ১ উইকেটে ১৭১ থেকে অলআউট ২২০। শেষ ৯ উইকেট পড়েছে ৪৯ রানে। এর চেয়ে কম রানে বাংলাদেশ শেষ ৯ উইকেট হারিয়েছে আর মাত্র দুবার।

২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারে টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩২ রানে শেষ ৯ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ১ উইকেটে ১০২ থেকে অলআউট ১৩৪ রানেই!

২০০৭ সালে কলম্বোর পি সারা ওভালের অভিজ্ঞতা এক দিক থেকে ছিল আরও ভয়াবহ। ম্যাচের প্রথম দিন লাঞ্চের পরই ৬২ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ ৯ উইকেট পড়েছিল ৪৮ রানে।

সেই দুটি টেস্টই বিশাল ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের কাছে হারটি ছিল ৩৩৫ রানে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইনিংস ও ৯০ রানে। এবার নিশ্চয়ই তেমন কিছুর পুনরাবৃত্তি চাইবে না বাংলাদেশ!

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক