১৫ মাস নিষিদ্ধ আরব আমিরাত ব্যাটসম্যান
আসিফ খানের খেলা তিনটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির পারফরম্যান্স তার রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে।
ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়া আসিফ খান দোষ স্বীকার করেছেন। যার প্রেক্ষিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানকে ১৫ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি।
আইসিসি বৃহস্পতিবারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসিফের শরীরে নিষিদ্ধ পদার্থ ‘মেস্টেরোলোনের একটি মেটাবোলাইট’ পাওয়া যায়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে করানো একটি ডোপ পরীক্ষায় সেটা ধরা পড়ে।
আইসিসির বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ৩৬ বছর বয়সী আসিফ অ্যান্টি-ডোপিংয়ের ২.১ ধারা লঙ্ঘনের কথা স্বীকার করেছেন। ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা) ও আইসিসির সঙ্গে একটি সমঝোতার ভিত্তিতে তিনি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ মেনে নিয়েছেন। ফলে এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করার কোনো সুযোগ নেই।
২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে আসিফের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবেন তিনি।
তবে আইসিসি বলেছে, আগামী ৮ অক্টোবর থেকে কোনো দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে পারবেন আসিফ। কোনো ক্লাব বা আইসিসির সদস্য সংস্থার সুযোগ-সুবিধাও ব্যবহার করতে পারবেন তিনি। তবে মাঠে খেলার অনুমতি পাবেন ৮ ডিসেম্বর থেকে।
আইসিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত আসিফের ব্যক্তিগত সব পারফরম্যান্স বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে ওই সময়ের ম্যাচগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত পদক, পয়েন্ট, প্রাইজমানি বা পুরস্কারও হারাবেন তিনি।
পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক ক্রিকেটার আসিফ ২০২২ সালের মার্চে আরব আমিরাতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন, ওমানের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে। এরপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি আমিরাতের হয়ে ৩৮টি ওয়ানডে ও ৫৬টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।
২০২৫ সালের এশিয়া কাপে ভারত, ওমান ও পাকিস্তানের বিপক্ষে আসিফের খেলা ম্যাচ তিনটির পারফরম্যান্স তার রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে। কারণ ৮ সেপ্টেম্বরের পর ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
