জানাকপুরের জয়ে অলরাউন্ড নৈপুণ্যে উজ্জ্বল সাইফ
উইকেট পেয়েছেন তার প্রতিপক্ষ দলে খেলা পেসার রিপন মণ্ডল।
নেপাল প্রিমিয়ার লিগে (এনপিএল) নিজের অভিষেক রাঙিয়েছেন সাইফ হাসান। দেশের বাইরে প্রথমবার কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে নেমে ব্যাটিং ও বোলিংয়ে আলো ছড়িয়েছেন তিনি।
তার প্রতিপক্ষ দলে খেলতে নেমে উইকেট পেয়েছেন পেসার রিপন মণ্ডলও।
এনপিএলে বৃহস্পতিবার রিপনের কাঠমান্ডু গোর্খাসকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে জানাকপুর বোল্টস। ১১৬ রানের লক্ষ্য তারা ছুঁয়ে ফেলেছে ১৬ বল বাকি থাকতে।
বোলিংয়ে চার ওভারে স্রেফ ১১ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন সাইফ। জানাকপুরের হয়ে আর কেউ ওভার প্রতি পাঁচের কম রান দেননি। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৯ বলে অপরাজিত ৪০ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে তিনি ফেরেন দলের জয় সঙ্গে নিয়ে।
রিপন ব্যাটিংয়ে ৮ বলে করেন ৯ রান। আর বোলিংয়ে ৩ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন এক উইকেট।
টস হেরে বোলিং করা জানাকপুরের হয়ে তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন সাইফ। প্রথম তিন বল ডট খেলান তিনি। চতুর্থ বলে তাকে ছক্কা হাঁকান হারিশাঙ্কার শাহ। পরের বলে নেন আরও দুই রান। শেষ বলে তাকে ফিরিয়ে ‘মধুর প্রতিশোধ’ নেন সাইফ।
এরপর লম্বা বিরতি দিয়ে দ্বাদশ ওভারে আক্রমণে ফেরেন সাইফ। নিজের শেষ তিন ওভারে তিনি দেন কেবল তিন রান! পান একটি উইকেট।
দারুণ বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও সাইফ ছিলেন সাবলীল। এক চার ও তিন ছয়ে খেলেন ৪০ রানের ইনিংস। অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে মইন আলির সঙ্গে ৭৯ রানের জুটিতে দলকে এনে দেন বড় জয়।
ষষ্ঠ ওভারে ক্রিজে যান সাইফ। শুরুতে কিছুটা সময় নেন তিনি। প্রথম ১৮ বলে করেন ১২ রান। পরে তিন ছয় আর এক চারে রান ও বলের ব্যবধান প্রায় সমান করে ফেলেন তিনি।
জানাকপুরের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আক্রমণে আসেন রিপন। নিজের দ্বিতীয় বলে উইকেট পান তিনি। আঁটসাঁট বোলিং করলেও পরে আর উইকেট পাননি তিনি। তার দলও পারেনি খুব একটা লড়াই করতে।
