জবিতে সোমবার মঞ্চ মাতাবেন নগরবাউল জেমস
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে অফসাইড, কোমল গান্ধার, কিম্ভূত ও স্বরূপ ব্যান্ডের পরিবেশনাও থাকবে।
‘তারুণ্যে দীপ্ত প্রাণে- ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’ প্রতিপাদ্য ধারণ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার রাতে ক্যাম্পাসে কনসার্টে মঞ্চ মাতাবেন নগরবাউল জেমস।
এ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে অফসাইড, কোমল গান্ধার, কিম্ভূত ও স্বরূপ ব্যান্ডের পরিবেশনাও থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে শনিবার বিকালে এক পোস্টে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানসূচি প্রকাশ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২০ অক্টোবর হলেও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই পর্বের এ আয়োজন হচ্ছে ২ নভেম্বর। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী প্রথম পর্বে সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দিনের কর্মসূচি। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদদীন।
এরপর সকাল পৌনে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বর থেকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রা শুরু হবে। শোভাযাত্রাটি রায়সাহেব বাজার মোড় ঘুরে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শেষ হবে।
সকাল সোয়া ১০টায় শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচতলায় চারুকলা অনুষদের আয়োজনে শিল্পকর্ম ও চিত্রকর্ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে হবে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বিতীয় পর্বে বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন প্রাঙ্গণে সংগীত বিভাগের আয়োজনে সংগীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক আয়োজন শুরু হবে। বিকাল সাড়ে ৩টায় নাট্যকলা বিভাগের পরিবেশনায় মঞ্চস্থ হবে ‘পুতুলনাচ’।
এরপর বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনা থাকবে। এতে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, আবৃত্তি সংসদ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, মাইম সোসাইটি, রঙ্গভূমি ও ব্যান্ড মিউজিক অ্যাসোসিয়েশনের ব্যান্ডগুলো অংশ নেবে।
সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মঞ্চে উঠবেন নগরবাউল জেমস। তার গানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন।
এদিকে অনুষ্ঠান ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট এবং ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া সন্ধ্যার কনসার্টে বহিরাগতদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদদীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আমাদের প্রাণের উৎসব। এই উৎসবকে সফল ও সার্থক করে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবার সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দিবসটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা সম্ভব হবে।”
