১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে হাসপাতালে ভর্তি ৯ জন

বুয়েটের এক শিক্ষার্থীর পেটে স্প্রিন্টারের আঘাত রয়েছে। তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আট পুলিশ সদস্য রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ভর্তি আছেন।

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে হাসপাতালে ভর্তি ৯ জন
ফাইল ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Aug 2025, 11:11 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:12 PM

তিন দাবিতে বুয়েটসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় আট পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি পুলিশের হামলায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

বুধবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে পুলিশের বাধার মুখে পড়লে সংঘর্ষ বাঁধে।

এ সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদুনে গ্যাস ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এর আগে শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে শুরু করে।

পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিকালে আন্দোলনরতরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ক্ষমা চাওয়ার দাবিত শাহবাগে অবস্থান ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তারা পুলিশের হামলায় অর্ধশতাধিক আহত হওয়ার দাবি করেন। তাদের সুচিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতেরও দাবি করেন তারা। 

পরে রাতে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুয়েট শিক্ষার্থীদের যমুনা অভিমুখে যেতে বাধা প্রদানের ঘটনায় আট পুলিশ সদস্য আহত হন।

এতে বলা হয়, তাদের মধ্যে রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মাসুদ আলম, অতিরিক্ত উপ কমিশনার রেজোয়ানুল ইসলামসহ এই আটজনকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত অন্যরা হচ্ছেন- এসআই তৌহিদুল ইসলাম ও ফরহাদ আলী, কনস্টেবল আদিব, আমিনুল ইসলাম ও শ্রাবণ (২০)। তাদের মধ্যে তৌহিদুল ইসলাম ও আদিবের অবস্থা গুরুতর।

এ ঘটনায় আহত সাত শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হচ্ছেন- নাসিফ (২৫), সাদিব (২১), রিজন (২২), পিয়াল (২২), শাহাদাৎ (২২) নাভিদ (২১) ও সাদাত (২১)।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। নাফিস নামে বুয়েটের এক শিক্ষার্থীর পেটে স্প্রিন্টারের আঘাত রয়েছে। তাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হঠাৎ পুলিশ সদস্যরা হামলা চালায়। এতে তাদের কয়েকজন আহত হন।