১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

৭৫ বছরপূর্তি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বছরব্যাপী কর্মসূচি শুরু

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাদশ ও দ্বাদশ সংসদের বিজয়ী পাঁচজন সংসদ সংস্যকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Jan 2024, 11:01 PM

Updated : 27 Jan 2024, 11:01 PM

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৫ বছরপূর্তি উদযাপনে বছরব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে। 

শনিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) মিলনায়তনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। 

এ বছর প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর (প্লাটিনাম জুবিলি) পূর্ণ করছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেমিনার, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিসহ নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। 

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী পাঁচজন সংসদ সংস্যকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। 

পুরানো খবর:

৭৫ বছর পূর্তিতে ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের বছরব্যাপী কর্মসূচি

সংসদ সদস্যরা হলেন- ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী এবং একাদশ সংসদের উপনির্বাচনে বিজয়ী কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেন ও মহিলা সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত। 

এছাড়া ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সুদীর্ঘ পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য  সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। 

সংবর্ধনা গ্রহণ করে এ কে আজাদ বলেন, “আমাদের নেটওয়ার্কিং নেই। যোগাযোগ বাড়াতে যারা পাস করে বের হয় তাদের ব্যক্তিগত মেইলটি রেখে দিতে পারেন। নেটওয়ার্ক ভালো করতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভালো ফান্ড সংগ্রহ সম্ভব হবে। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অনেক মানুষ আছে, কোনো যোগাযোগ না থাকায় তাদের কাজে লাগাতে পারিনি।” 

তিনি সংগঠনের করণীয় নিয়ে আরও কিছু পরামর্শ দেন। 

সংগঠনের সভাপতি  আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ)  বলেন, “এ বছর সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু আনন্দ- আয়োজন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয় বরং বর্তমান শিক্ষার্থী, সমাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, দেশ ও মানুষের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ কিছু করার প্রত্যয় নিয়ে আমরা কমসূচি সাজাতে ও বাস্তবায়ন করতে চাই।”

আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব মোল্লা মো. আবু কাওছার।