২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মাঝরাতে হলের সামনে দোকান বসানো নিয়ে ঢাবি ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ

“ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী সম্ভবত শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনের দোকানগুলো সরিয়ে সেখানে চায়ের দোকান বসাতে চেয়েছিল।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Oct 2025, 12:44 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:27 PM

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ‘চায়ের দোকান বসানোকে’ কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 

রোববার রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এক ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পুলিশ যাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ঢাকা কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী সম্ভবত শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনের দোকানগুলো সরিয়ে সেখানে চায়ের দোকান বসাতে চেয়েছিল। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।”

রাতের পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “রাতে পর্যাপ্ত পুলিশ না থাকায় অতিরিক্ত ফোর্স ডাকা হয়। আড়াইটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।”

এছাড়া শাহনেওয়াজ হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থী রিয়াজ আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা রাত দেড়টার দিকে দেখি আমাদের কয়েকজনকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মারতেছে। আমরা গেলে দেখি সেখানে তারা ককটেল বিস্ফোরণ করেছে।”

পরে আরও কয়েক দফা ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা ‘হামলা চালানোর চেষ্টা করে’ বলে অভিযোগ করেছেন এই শিক্ষার্থী। 

এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে জানতে চাইলে এসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “বিস্ফোরণটি ককটেলের কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সম্ভবত পটকা জাতীয় কিছু ছিল।”

এছাড়া সংঘর্ষের নিয়ন্ত্রণে আসার পর শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। 

এ সময় তারা 'আমার হলে ককটেল, প্রশাসনের নাকে তেল’ বলে স্লোগান তোলেন। 

পরে প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ ও ডাকসু নেতারা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন বলে আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থী হলে ফিরে যায়।

এছাড়াও নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।