Published : 11 Mar 2024, 10:17 PM
বাংলাদেশে পাইপলাইনে ডিজেল সরবরাহকারী ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) ঢাকায় লিয়াজোঁ অফিস চালু করেছে।
সোমবার ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এ কার্যালয় উদ্বোধন করেন বলে ভারতীয় হাই কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আসাম রাজ্যের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শিলিগুড়িতে তেল আসে কোম্পানিটির বিপণন টার্মিনালে। সেখান থেকে প্রায় ১৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ ইন্দো-বাংলা মৈত্রী পাইপলাইনে পার্বতীপুরে ডিজেল আমদানি করে আসছে বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে প্রণয় ভার্মা বলেন, গত এক দশকে দুদেশের সম্পর্কের অভাবনীয় উন্নতি করেছে ভারত এবং বাংলাদেশ। এই পরিবর্তনের অন্যতম প্রকাশ হচ্ছে, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং যোগাযোগের সংযোগ।
তিনি বলেন, “সর্বব্যাপী সম্পর্কের ক্ষেত্রে নির্দেশক হয়ে উঠেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। আর এই গুরুত্বপূর্ণ খাতে অগ্রসরমান অংশদারত্বের সাক্ষী এই মৈত্রী পাইপলাইন।”
২০২৩ সালের ১৮ মার্চ যৌথভাবে ইন্দো-বাংলা মৈত্রী পাইপলাইন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম তিন বছর বার্ষিক দুই লাখ টন করে, পরের তিন বছর তিন লাখ টন করে, পরের চার বছর পাঁচ লাখ টন করে এবং পরবর্তী বছরগুলোতে বার্ষিক ১০ লাখ টন করে জ্বালানি ভারত থেকে বাংলাদেশে আসবে।
হাই কমিশন জানিয়েছে, উদ্বোধনের পর থেকে পাইপলাইন দিয়ে তিন কোটি ৪০ লাখ ডলার মূল্যের ৪২ হাজার টন ডিজেল আনা হয়েছে। দ্রুততার সঙ্গে জ্বালানি আনার সক্ষমতার কারণে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি কার্বন-নিঃসরণও রয়েছে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, “বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বর্তমানে পাইপলাইনের পুরো মালিকানা বুঝে পেয়েছে এবং নিজেদের ব্যবস্থাপনায় সর্বশেষ চারটি চালান আনার কাজ করছে।”
পুরানো খবর:
ভারত থেকে ডিজেল আনার পাইপলাইন উদ্বোধনপুরানো খবর:
ভারত থেকে ডিজেল আনার পাইপলাইন উদ্বোধন শনিবারপুরানো খবর:
ভারত থেকে ডিজেল আনার পাইপলাইন উদ্বোধন ১৮ মার্চতিনি বলেন, এই লিয়াজোঁ অফিস চালুর মাধ্যমে এনআরএল জ্বালানি পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন পথ খুঁজতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে।
কার্যালয় চালুর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নুমালিগড় রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভাস্কর জ্যোতি ফুকান এবং মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতান।