১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

গ্র্যাজুয়েশন: বাণিজ্য সহজীকরণ রোডম্যাপ বাস্তবায়নে গুরুত্ব বাণিজ্য উপদেষ্টার

ওয়ার্কিং গ্রুপগুলো যদি একসঙ্গে কাজ তাহলে একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ সম্ভব, বলেন তিনি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Feb 2025, 08:23 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:44 AM

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

সেই জন্য বাণিজ্য সহজীকরণ (ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন) রোডম্যাপ বাস্তবায়ন ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মঙ্গলবার ন্যাশনাল ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন কমিটির (এনটিএফসি) অষ্টম সভায় উপদেষ্টা বলেন, “আমরা ২০২৬ সালের নভেম্বরে এলডিসি গ্র্যাজুয়েট হতে যাচ্ছি। এই গ্র্যাজুয়েশনের কারণে সামনে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আমাদের ওপর বিভিন্ন নিয়ম আসবে। 

“এতে আমাদের অর্থনীতিতে যে ধাক্কাটা আসবে তা থেকে পরিত্রাণের নিয়ামক হচ্ছে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এ কারণে আমাদেরকে দক্ষতার সাথে প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে।” 

ঢাকার বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত বৈঠকের তথ্য দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেখানে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় পাচ্ছে তুলে ধরে শেখ বশীরউদ্দিন বলেন, এটা দীর্ঘ সময়। যদি ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণ হয় এবং ওয়ার্কিং গ্রুপগুলো যদি একসঙ্গে কাজ তাহলে একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ সম্ভব।

বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, একটি সুনির্দিষ্ট সময় সীমা নির্ধারণ করে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে। সক্ষমতা বাড়াতে হবে, পাশাপাশি ব্যবসা সহজীকরণ করতে হবে। 

“আমরা সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়াতে চাই।”

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানান হয়, ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন এগ্রিমেন্ট এর মূল উদ্দেশ্য বাণিজ্য উদারীকরণের স্বার্থে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্পর্কিত বিধি-বিধান ও কর্মপদ্ধতি পর্যালোচনা করে আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের প্রসার ও চলাচল ত্বরান্বিত করা।

সভায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, সেতু বিভাগের সচিব, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই এর প্রশাসক, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, ইপিবি এর ভাইস চেয়ারম্যান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ (এফটিএ) কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।