১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
“এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে।”
এলডিসি থেকে বেরিয়ে গেলে বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে রপ্তানিতে ধাক্কা লাগার শঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন তথ্যমন্ত্রী।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশ ১৮ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারের আমদানির বিপরীতে রপ্তানি করেছে মাত্র ৬৯৪ দশমিক ৪৯ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।
কোন কোন খাত থেকে বা কতদিন নাগাদ এ অর্থ অর্জন সম্ভব তার উত্তর মেলেনি মন্ত্রীর বক্তব্যে।
এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ।
রাষ্ট্রদূত নোমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছেন।
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে ‘শিক্ষা প্রাধান্য’ পাবে বলেও তুলে ধরেন জোনায়েদ সাকি।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ঋণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী এবং করের আওতা বৃদ্ধি করা ‘সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি’ বলে বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য।