০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ।
রাষ্ট্রদূত নোমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছেন।
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে ‘শিক্ষা প্রাধান্য’ পাবে বলেও তুলে ধরেন জোনায়েদ সাকি।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ঋণ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী এবং করের আওতা বৃদ্ধি করা ‘সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি’ বলে বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য।
“বাস্তবতা হল, গত দেড় বছরে দেশের অর্থনীতি একটি নিম্নস্তরের ভারসাম্যে চলে গেছে,” বলেন তিনি।
“আমরা যে নতুন বাংলাদেশের কথা বলি, নতুন বাংলাদেশ মানে হল স্বনির্ভর বাংলাদেশ,” বলেন তিনি।
তবে বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলো থেকে বাধা আসছে জানিয়ে তিনি খুব বেশি আশাবাদী না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
“উত্তরণের তিনটি ধাপের যেকোনো পর্যায়ে বিলম্বের আবেদন করা সম্ভব এবং বহু দেশ এ সুযোগ নিয়েছে,” বলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতি বিশ্লেষক রিড স্মিথ।