Published : 02 Apr 2026, 09:54 PM
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটে পড়ার দাবি করে টেলিযোগাযোগের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কথা বলেছে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব)।
মোবাইল অপারেটরগুলোর সংগঠনটি জেনারেটর চালাতে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ার অভিযোগও করেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে টেলিকম সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কার কথা বলেছে তারা।
বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের কাছে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।ৎ
অ্যামটব বলেছে, “জ্বালানির দীর্ঘস্থায়ী কোনো সংকট দেশজুড়ে টেলিযোগাযোগ সংযোগ বিঘ্নিত এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারে।
“ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সূচনার সাথে সাথেই মোবাইল অপারেটররা নিরবচ্ছিন্ন টেলিকম কার্যক্রমে সম্ভাব্য বিঘ্ন ঘটার বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করে। সরকার ইতিবাচক সাড়া দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহায়তা দেওয়ার নির্দেশনা দিলেও মাঠ পর্যায়ে এখনো সেই নির্দেশনার পুরোপুরি প্রতিফলন দেখা যায়নি।
“সম্প্রতি দেশের কিছু এলাকায় ঝড়ের কারণে পল্লী বিদ্যুতে বিভ্রাট লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগছে। বর্ষাকালেও এ ধরনের প্রবণতা দেখা যেতে পারে, যা টেলিকম নেটওয়ার্কের কার্যক্রমকে আরও বিঘ্নিত করতে পারে।”
এ প্রেক্ষাপটে সরকারের কাছে মোবাইল শিল্প জরুরিভিত্তিতে একটি সমন্বিত সহায়তা কাঠামো প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
এতে বলা হয়, “এই সহায়তার আওতায় থাকবে মূল নেটওয়ার্ক স্থাপনা, মোবাইল অপারেটর ও টাওয়ার কোম্পানি পরিচালিত বেস ট্রান্সসিভার স্টেশন (বিটিএস) সাইটগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও অগ্রাধিকারভিত্তিক জ্বালানি সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ পরিবহনের জন্য আলাদা জ্বালানি বরাদ্দ, গুরুত্বপূর্ণ টেলিকম স্থাপনা এলাকায় লোডশেডিং কমানো এবং ঝড় ও আবহাওয়া সংক্রান্ত বিঘ্নের পর দ্রুততম সময়ে আরইবির বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা।”
জেনারেটরগুলো চালিয়ে রাখতে জ্বালানি প্রাপ্যতার বিষয়টি নিশ্চিতের জন্যও বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বান জানানো হয়।