Published : 11 Jun 2026, 09:23 PM
একই অঞ্চলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নেওয়ার বিধান তুলে নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধরী।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, ব্যাংকের শাখার জন্য জায়গা ভাড়া নেওয়া, স্থানান্তর, সাজসজ্জা ও ভাড়ার মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া সহজ করা হবে।
অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তব্যে প্রস্তাব করেন, একই অঞ্চলের মধ্যে ব্যাংকের শাখা স্থানান্তরসহ এসব বিষয়ে ওই ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিবে।
বর্তমানে কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য নতুন শাখা খোলা ও তার সাজসজ্জার খরচের একটি মানদণ্ড ঠিক করে রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন শাখা খোলা, পুরনো শাখা স্থানান্তর, পুনরায় সাজসজ্জা, স্থান ভাড়া নেওয়া ও তার মেয়াদ বাড়ানো সংক্রান্ত প্রতিটি বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হয়।
শাখা ভাড়া নেওয়া, আগাম অর্থ দেওয়া ও সাজসজ্জায় অতিরিক্ত খরচের অভিযোগ উঠলে এসবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
পরিচালক ও প্রভাবশালীদের ভবনে কয়েক গুণ আগাম অর্থ দেওয়া, অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চ দামে উপকরণ কেনার অভিযোগ উঠলে এসব বিষয়ে নীতিমালা জারি করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
একই এলাকায় একাধিক ব্যাংকের শাখা থাকলেও ব্যাংকভেদে স্থানের ভাড়া ও উপকরণের দামে বড় ব্যবধানের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে নতুন ভাড়া নেওয়া, স্থানান্তর খরচ ও প্রতি বর্গফুট সাজসজ্জার খরচের বিষয়ে নীতিমালায় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।
এসব বিষয়ে অনুমোদন দেওয়ার বেলায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ আর্থিক বিষয়গুলো যাচাই করে দেখে। কোন ব্যাংকের কেমন খরচ করছে তার একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাব পাস হলে ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদই পুরনো শাখার বিষয়ে সব ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।