২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলা: লুটের পর যা থাকে, ‘তাতে চলে ভাঙচুর’

এক দোকানির ভাষ্য, রাতে দোকান বন্ধ করার সময় তিনি দুই-তিনজন করে ভাগ ভাগ হয়ে প্রকল্প এলাকায় ঢুকতে দেখেছেন; সবার মুখে মাস্ক ছিল।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 27 Sep 2026, 07:21 PM

Updated : 27 Sep 2026, 07:21 PM

ঢাকার দক্ষিণ মানিকদীতে নিউ গিনি প্রোপার্টিজের আবাসন প্রকল্পে হামলার শিকার হওয়া বিভিন্ন স্থাপনায় এখনও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ভাঙচুরের চিহ্ন।

বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, কোথাও মেঝেজুড়ে কাচের টুকরা; মাটিতে পড়ে আছে গুলির খোসা; তছনছ অবস্থায় রয়েছে আসবাবপত্র ও নির্মাণসামগ্রী।

শনিবার মধ্যরাতে শতাধিক মানুষের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর রোববার দুপুরে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায় ইসিবি চত্বরের এই আবাসন প্রকল্পে।

প্রকল্পের মালিকপক্ষের দাবি, চাঁদা দাবি ও জমি দখলের উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ একটি চক্র এ হামলা চালিয়েছে। গত এক মাসে বিভিন্ন সময়ে তাদের কাছে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন মালিক নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া।

তবে হামলার কারণ নিয়ে এখনও পুলিশ নিশ্চিত নয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কর্মকর্তারা বলেছেন, জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও। তিনি এজন্য বিএনপির লোকজনকে দায়ী করেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, আবাসন প্রকল্পটির ফটক মূল সড়ক থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে। প্রকল্পের ফটক দিয়ে ঢুকলেই ডান পাশে দুটি ভবন। কিছুটা এগিয়ে বাঁয়ে মোড় নিলে আবার সোজা রাস্তা। ওই রাস্তার বাঁ পাশে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও; ডান পাশে কবরস্থান।

প্রকল্পের ভেতরে ও আশপাশের লোকজনের বিবরণ অনুযায়ী, ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন হামলাকারীরা। তারা ফটক দিয়ে ঢুকতেই ডানের ১০ তলা নির্মাণাধীন ভবনে প্রথমে হামলা চালায়।

ভবনটির দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে। এর একটি ফ্ল্যাটে চিকিৎসক দম্পতি থাকতেন। হামলাকারীরা তাদের ফ্ল্যাটে ঢুকে মারধরের পাশাপাশি লুটপাট চালায় বলে এখানকার লোকজন দাবি করেছেন।

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর চারপাশ টিন দিয়ে ঘেরা। প্রবেশপথ কয়েকটি। ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, গুলির খোসা পড়ে আছে। আসবাবপত্র ও কনটেন্ট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ভেঙে ফেলা হয়েছে। মেঝেজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে কাচের টুকরা। সিসিটিভি ক্যামেরার তারও কেটে ফেলা হয়েছে। স্টুডিও ছাড়াও প্রকল্পের ভেতরে থাকা আরও কয়েকটি ভবনে ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা যায়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, হামলাকারীরা চার থেকে পাঁচটি পিকআপ নিয়ে এসে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। যেসব মালামাল তারা নিয়ে যেতে পারেনি, সেগুলো ভাঙচুর করেছে। আর লুট করা মালামাল তারা নিয়ে যায় পিকআপে করে।

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর কর্মী পরিচয় দেওয়া ইলা বলেন, ঘটনার রাতে স্টুডিওতে দুজন ছিলেন। প্রথমে পাশের নির্মাণকাজ থেকে শব্দ আসছে মনে করে তারা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছিলেন। পরে হামলাকারীদের প্রবেশের বিষয়টি টের পেয়ে তারা ওয়াশরুমে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে ফোন করে তাকে বিষয়টি জানান। পরে আবার ফোন করা হলে তাদের আর পাওয়া যায়নি। ততক্ষণে হামলাকারীরা তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নিয়েছিল।

ইলা বলেন, “মাস্ক পরা দুই ব্যক্তি স্টুডিওতে ঢুকে ফোনসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায়। স্টুডিও থেকে একটি ক্যামেরা, তিনটি লেন্স, চারটি লাইট, চারটি সফটবক্স এবং সিসিটিভির সরঞ্জামসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট হয়েছে। আমাদের পুরো স্টুডিওই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

কেন এ হামলা হয়েছে, তা জানেন না জানিয়ে ইলা বলেন, “ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কোনো চাঁদার বিষয় কিংবা শত্রুতার কারণে এ হামলা হয়েছে কিনা, আমরা জানি না। আমরা মূলত পরিস্থিতির শিকার হয়েছি।

“পুরো প্রজেক্ট বা এর মালিকের সঙ্গে কোনো ঝামেলার কারণে আমাদের স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছি।”

প্রকল্পের নির্মাণশ্রমিক নয়ন বলেন, “আমরা এখানে কাজ করি, এখানেই থাকি। প্রতিদিনের মতন গতকাল রাতে আমরা কাজ শেষ করে শোয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এর মধ্যে ১৫-২০ জনের একটি দল আমাদের এখানে এসে কয়েকজনকে মারধর করে। তাদের হাতে পিস্তল, রামদা, লাঠি, চাপাতি ছিল। তারা অনেকগুলো গুলিও ছোড়ে। তখন আমরা ভয়ে লুকিয়ে ছিলাম।”

তিনি বলেন, “সেখানে প্রায় ৫০ জন শ্রমিক ছিলেন। হামলাকারীরা তাদের কক্ষ থেকে বের করে দেয় এবং কয়েকজনকে মারধর করে। পরে ভয়ে তারা বাইরে চলে গেলে কক্ষে থাকা টাকা-পয়সা নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

“পরে আমরা রুমে ঢুকে আমাদের ব্যাগগুলো ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পাই। আমাদের অন্তত ৫০ জন শ্রমিকের জমানো টাকা ও ১৬টি মোবাইল নিয়ে গেছে।”

প্রকল্পের ব্যবস্থাপক জামাল উদ্দিন বলেন, সেখানে মোট ১২টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি নিউ গিনি প্রকল্পের, বাকিগুলো অন্যদের। হামলার সময় তিনি ঘটনাস্থলে না থাকায় বেঁচে গেছেন বলে মনে করেন জামাল।

তিনি বলেন, “নামাজের জামাত শেষ করে গিয়ে শুয়েছি। অফিসে থাকলে তো মেরে ফেলত। এতক্ষণ আমি লাশ হয়ে যেতাম।”

প্রকল্পের মালিকপক্ষের কাছে আগে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে জামাল বলেন, “আমি এই প্রকল্পের একজন কর্মচারী। কোনোদিন কর্মচারীর সামনে মালিকপক্ষ এসব বলে না। এ বিষয়ে মালিকপক্ষ ভালো বলতে পারবে।”

প্রকল্পের নিরাপত্তাকর্মী আবদুল রাজ্জাক বলেন, সেখানে পাঁচটি গেইট রয়েছে। রাতে পাঁচজন নিরাপত্তাকর্মী দায়িত্বে ছিলেন। তাদের কয়েকজনকেও মারধর করা হয়েছে। তারা হাসপাতালে রয়েছেন।

তিনি বলেন, “এখানে পাঁচ-ছয়টি গুলিও করেছে। প্রত্যেকটা ভবনের মধ্যে লোক ছিল। তাদের মোবাইল, টাকা-পয়সা সবই নিয়ে গেছে।”

প্রকল্পের প্রশাসন বিভাগে কর্মরত মো. পল্লব বলেন, “হামলাকারীরা দলবদ্ধভাবে চার থেকে পাঁচটি পিকআপ নিয়ে প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে। এরপর সামনে যা পেয়েছে, লুটপাট করেছে। যেসব মালামাল নিতে পারেনি, সেগুলো ভাঙচুর করেছে।”

পল্লব বলেন, “আমাদের স্টাফ যারা ছিল, তাদেরকে মারধর করে জামাকাপড়, মোবাইল, টাকা-পয়সা সব নিয়ে চলে যায়।”

চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে বলতে পারি না। যদি চাঁদাবাজির ঘটনা থাকেও, তবে সেটা ম্যানেজমেন্ট কমিটির সাথে থাকতে পারে। আমরা জানি না।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক দোকানি বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার পর দোকান বন্ধ করার সময় দুই-তিনজন করে ভাগে ভাগে প্রকল্প এলাকায় ঢুকতে দেখেছেন তিনি; প্রত্যেকের মুখে মাস্ক ছিল।

তিনি বলেন, “পরে ভাব খারাপ দেখে চলে গেছি।”

ওই দোকানির দাবি, এর আগেও সেখানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৫ অগাস্ট সরকার পতনের দিন রাতেও এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল। তবে তখন এতটা হয়নি।

হামলার বিষয়ে নিউ গিনি প্রোপার্টিজের মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, চাঁদা দাবি ও জমি দখলের উদ্দেশ্যেই এ হামলা হয়েছে।

এর পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র থাকার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “চক্রটি বিভিন্ন কৌশলে একেক সময় একেক পরিমাণের টাকা দাবি করেছে। গত এক মাসে আমার কাছে চক্রটি চাপে রাখার জন্য কখনো এক কোটি, কখনো ৫০ লাখ, আবার কখনো দুই কোটি টাকা পর্যন্ত চাঁদা চায়। আমি তাদের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানাই বরাবর।”

চাঁদাবাজির সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা জড়িত রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জমি দখলের সঙ্গে কারা জড়িত, জানতে চাইলে নাজিম উদ্দিন বলেন, সাবেক এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এ ঘটনায় জড়িত।

তার ভাষ্য, ওই কর্মকর্তার কাছ থেকে তিনি এ এলাকায় ১০ কাঠা জমি কিনেছেন এবং ওই কর্মকর্তা জমিটি তাকে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। তবে মূল বিরোধ ওই জমি নিয়ে নয়।

নাজিম উদ্দিন বলেন, “মূল সমস্যা হচ্ছে ওই ১০ কাঠার পাশে আরও জায়গা আছে, যা তিনি আমাকে দিয়ে ডেভেলপ করিয়েছেন। কিন্তু তিনি ওই জায়গাটির জন্য আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমাকে দিয়েই ডেভেলপ করিয়ে নিয়েছেন। টাকাও নিয়েছেন, এখন রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না।”

Image

রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে শনিবার রাতে হামলা চালায় একদল ব্যক্তি; ভাঙা জানালার ফ্রেমে দৃশ্যমান বিধ্বস্ত স্টুডিওর ভেতরের চিত্র।

ওই কর্মকর্তা প্রভাব খাটিয়ে ডেভেলপ করা জায়গা দখল করে নিয়েছেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, জমি ফেরত চাওয়া ও দখলে বাধা দেওয়ায় সংঘবদ্ধ চক্র দিয়ে তার মুখ বন্ধ করার জন্য হামলা করানো হয়েছে।

জমি নিয়ে বিরোধের কথা এসেছে পুলিশের বক্তব্যেও। পুলিশ বলছে, একটি পক্ষ তাদের জমিতে যেতে পারছে না।

হামলার বিষয়ে ডিএমপির গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার নাজমুল হক বলেন, “ওখানে দুইটা পক্ষ আছে। আরেকজনের একটা জমি-জমা আছে। এক পক্ষ যাইতে পারতেছে না। যে পক্ষ তার জমিতে যেতে পারতেছে না, তারা লোকজন নিয়ে আসছে। আর এই দুই পক্ষের ঝামেলার মধ্যে পড়ে গেছে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও।

“উনারা ওই লোকজন নিয়ে আসছে, এসে ভাঙচুর করছে।”

হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেছেন নিউ গিনি প্রোপার্টিজের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া। এতে সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ ১৩ জনের নাম রয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১ নম্বর আসামি শাহরিয়া মাহমুদসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করার তথ্য দিয়েছে পুলিশ। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ১৫০ থেকে ২০০ জনকে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম বলেন, “কিছু লোক দলবদ্ধভাবে এসে সেখানে ভাঙচুর করে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। রাতে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।”

গ্রেপ্তার তিনজনের পরিচয় জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের একজন মামুন। তার বাড়ি গফরগাঁও, থাকেন ভাসানটেক বস্তিতে। আরেকজন আসলাম, তার বাড়ি টাঙ্গাইল। তিনি অটোরিকশা চালান। অন্যজন মুন্না, তিনিও ভাসানটেক বস্তিতে থাকেন।

হামলাকারীদের পরিচয় ও ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা এখনও আন্ডার ইনভেস্টিগেশনে আছি। দলবদ্ধভাবে লোকজন এসেছে, সে কারণে আমরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি।”

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে মনে হয়েছে যেটা, এটা হচ্ছে, একটা হাউজিং বিজনেস এবং এখানে এতগুলো লোক একসঙ্গে আসা, দলবদ্ধভাবে এসেছে এবং রাতের বেলা। সে কারণে হয়তো জমিকে কেন্দ্র করে, জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থাকতে পারে।”

বিবাদটি কার সঙ্গে, তা এখনই স্পষ্ট করে বলতে পারেননি এ পুলিশ কর্মকর্তা।

সালমান মুক্তাদিরের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে মাহিদুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে এই মুহূর্তে নেই, কোনো চাঁদা বা কোনো কিছু নিয়ে। আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে, এটা জমিকে কেন্দ্র করে বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে হয়েছে। আমরা প্রপার ইনভেস্টিগেশন করলেই জানতে পারব।”

এ ঘটনায় রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা হওয়ার তথ্য দিয়েছেন ডিএমপির গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনবার নাজমুল হক।

তিনি বলেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজের একজন কর্মকর্তা মামলাটি করেছেন। এই ঘটনায় আবাসন প্রকল্পের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত চারকন গ্রেপ্তার আছে। জরিত অন্যদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।

সালমান মুক্তাদির মামলা করেছেন কী-না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নাহ, উনি তো এখানকার ভুক্তভোগী মাত্র। দুই পক্ষের মাঝে পড়ে উনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

ক্যান্টমেন্ট থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলা করেছে হাউজিং কর্তৃপক্ষ; সালমান সেখানকার একজন ভাড়াটিয়া। তবে উনি যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সেটা বলা আছে।”