‘নারী পাচার’: রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক ও সহযোগী কারাগারে

কনকর্ড অ্যাপেক্স রিক্রুটিং এজেন্সি এ পর্যন্ত আড়াই হাজার নারীকে বিভিন্ন দেশে পাচার করেছে বলে জানায় র‌্যাব।

আদালত প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 9 August 2022, 03:40 PM
Updated : 9 August 2022, 03:40 PM

উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের

বিভিন্ন দেশে নারী পাচার ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক ও সহযোগীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

কারাগারে আটক পল্টনের কনকর্ড অ্যাপেক্স রিক্রুটিং এজেন্সির কর্ণধার আবুল হোসেন (৫৪) ও তার সহযোগী আলেয়া বেগমকে (৫০) এর আগে রোববার গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরার আদালত পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

তাদের জামিনের শুনানির জন্য বুধবার দিন রাখা হয়েছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ কমিশনার মো. জাফর হোসেন।

সম্প্রতি কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার রাতে রাজধানীর পল্টনে কনকর্ড অ্যাপেক্স রিক্রুটিং এজেন্সির অফিসে অভিযান চালিয়ে ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

অভিযানের সময় বিদেশে পাঠানোর জন্য তাদের জিম্মায় রাখা তিন নারীকে উদ্ধার এবং ৩১টি পাসপোর্ট, ২২ পাতা ডকুমেন্ট, ২টি মোবাইল

ফোন ও ৩টি সিমকার্ড জব্দ করা হয় বলে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানান র‌্যাব ১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন।

র‌্যাবের দাবি, বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর নিবন্ধিত এই রিক্রুটিং এজেন্সি এ পর্যন্ত আড়াই হাজার নারীকে বিভিন্ন দেশে পাচার করেছে।

র‌্যাব কর্মকর্তা মোমেন জানান, প্রত্যন্ত এলাকা থেকে গরিব নারীদের লক্ষ্য করে ভালো বেতন ও বিনামূল্যে হজ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাঠানো হত। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পর প্রতিশ্রুতির কোনো কিছুই বাস্তবায়ন করা হত না। বরং বিভিন্ন অবৈধ কাজে বাধ্য করা হত। অবৈধ কাজ না করতে চাইলে ওই নারীদের ওপর চলত নির্যাতন বলে তিনি জানান।

গ্রেপ্তার আবুল হোসেনের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব ১ এর অধিনায়ক বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বৈধ নিবন্ধনের আড়ালে নারী পাচার ও নির্যাতনের অপকর্ম করে আসছে। আবুল হোসেন এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তার এ কাজের অন্যতম সহযোগী আলেয়া বেগমসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অসংখ্য দালাল রয়েছে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক