০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি, আবেদন শুরু ২১ নভেম্বর থেকে

ভর্তি কমিটির প্রধান অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, “আমরা পরীক্ষা নিব মাত্র ১০ হাজার শিক্ষার্থীর। সেখানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা তার দ্বিগুণ।”

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 07 Nov 2026, 03:43 PM

Updated : 07 Nov 2026, 03:43 PM

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন আগামী ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে।

আগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি।

আগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি। শনিবার এসব তথ্য দিয়েছেন বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা কমিটির প্রধান ও তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক কামরুল হাসান।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা ১৬ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষার নেয়ার জন্য সেই প্রস্তুতি নিয়ে আগাচ্ছি।”

এদিকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের পর এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পুনঃপরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে তারা।

সেই শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে গত ৪ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সভার আয়োজন করে। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

তবে সেই সভার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

ফলে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ পাশ করলেও বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

এছাড়া, এইসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলে যে বিপর্যয় দেখা গেছে, সেটার প্রভাবও জিপিএ প্রাপ্তির হারে পড়েছে। এবার সবমিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৪০ হাজার শিক্ষার্থী। তার মধ্যে বিজ্ঞান ও গার্হস্থ্য অর্থনীতিতে মাত্র ২৬ হাজার ৭০২জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

যেহেতু বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার আবেদন যোগ্যতা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ থাকতে হবে ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ সহ পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত প্রতিটি বিষয়ে আলাদাভাবে গ্রেড পয়েন্ট ‘এ প্লাস’ থাকতে হবে, সেক্ষেত্রে এবার আবেদন সংখ্যা কমে যাবে।

তারপরও শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদন যোগ্যতা গতবছরের মত স্থির রাখার বিষয়ে অনড় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ভর্তি কমিটির প্রধান অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, “আমরা পরীক্ষা নিব মাত্র ১০ হাজার শিক্ষার্থীর। সেখানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা তার দ্বিগুণ। ১০ হাজারের বেশি আবেদন পড়লে সেখান থেকে অনেকে বাদ পড়বে। তাই, আমাদের ভর্তি আবেদন যোগ্যতা শিতিল করার কোন প্রয়োজন নেই”।

“আর আমাদের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জায়গা সীমিত। আমরা ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে পারি না”।

ভর্তি আবেদনের সময়সীমা কবে নাগাদ শেষ হবে সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।