১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিআইজি প্রিজন্স বজলুর রশীদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

বিচারিক আদালতের করা ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ড স্থগিত করে এ মামলার নথি তলব করেছে উচ্চ আদালত।

ডিআইজি প্রিজন্স বজলুর রশীদের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

২০১৯ সালে গ্রেপ্তার করা হয় ডিআইজি প্রিজন্স বজলুর রশীদকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Nov 2022, 09:41 PM

Updated : 03 Nov 2022, 09:41 PM

অবৈধ সম্পদের মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড পাওয়া কারা অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক বজলুর রশীদের আপিল আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাই কোর্ট।

সেই সঙ্গে বিচারিক আদালতের করা ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ড স্থগিত করে এ মামলার নথি তলব করেছে উচ্চ আদালত।

খালাস চেয়ে বজলুর রশীদের করা আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো.আশরাফুল কামালের একক বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে বজলুর রশীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান; দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

আইনজীবী মিজানুর পরে বলেন, “নিম্ন আদালত থেকে নথি আসার পর পেপারবুক তৈরি হলে আপিল শুনানি শুরু হবে।”

তিন কোটি ১৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগে গত ২৩ অক্টোবর ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. ইকবাল হোসেন সাময়িক বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক বজলুর রশীদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

সেইসঙ্গে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া রাষ্ট্রের অনুকূলে তিন কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকা বাজেয়াপ্ত করার আদেশ হয় রায়ে।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠলে ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর বজলুর রশীদকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দীন ২০২০ সালের ২৬ অগাস্ট বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই বছরের ২২ অক্টোবর মামলায় বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঢাকার সিদ্বেশ্বরী রোডে রূপায়ন হাউজিংয়ের স্বপ্ন নিলয় প্রকল্পের দুই হাজার ৯৮১ বর্গফুট আয়তনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন বজলুর রশীদ। এর দাম হিসেবে পরিশোধ করা ৩ কোটি ৮ লাখ টাকার কোনো বৈধ উৎস তিনি প্রদর্শন করতে পারেননি।

“এমনকি অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়সংক্রান্ত কোনো তথ্যও তার আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেননি। ফলে তার এই পরিশোধিত ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা জ্ঞাতআয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।”

১৯৯৩ সালে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়া বজলুর রশীদ ঢাকায় সর্বশেষ কারা সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার আগে ডিআইজি হিসেবে ছিলেন রাজশাহীতে।

জজ আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর গত বুধবার বজলুর রশীদ খালাস চেয়ে হাই কোর্টে আপিল আবেদন করেন।

আরও পড়ুন:

পুরানো খবর:

খালাস চেয়ে ডিআইজি প্রিজন্স বজলুর রশীদের আপিল

পুরানো খবর:

ডিআইজি প্রিজন্স বজলুর রশীদের ৫ বছর জেল

পুরানো খবর:

অবৈধ সম্পদ: কারা ডিআইজি বজলুর গ্রেপ্তারের পর কারাগারে