খুন করে পুঁতে রাখা হয়েছিল গৃহবধূকে
হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে স্বামী বিদেশে পালিয়েছেন বলে পুলিশের ধারণা।
ঢাকার দক্ষিণখানে শ্বশুরবাড়িতে হত্যার পর মাটিতে পুঁতে রাখা এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মোছা. আফরোজা নামে ৪০ বছর বয়সী ওই নারী ২৭ মে দুপুরে দক্ষিণখানের নদ্দাপাড়া থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন। তার বাড়ি নীলফামারীর ডোমারের ভোগড়াবুড়ি গ্রামে।
আফরোজার স্বামী হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে কানাডায় পালিয়ে গেছেন বলে পুলিশের ধারণা।
দক্ষিণখান থানার এসআই রেজিয়া খাতুন বলেন, আফরোজার ছোট ভাই আরিফুল ইসলাম থানায় বোন নিখোঁজ জানিয়ে জিডি করেন। তার তদন্তে গিয়ে আফরোজার শ্বশুর, জা ও ভাসুরের কথাবার্তায় সন্দেহ হয় পুলিশের।
“তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে যে, আফরোজা নিখোঁজ হয়নি। তাকে হত্যা করে পুঁতে রাখা হয়েছে।”
এরপর দক্ষিণখানের দক্ষিণপাড়ায় আফরোজার শ্বশুর বাড়ির সীমানা দেয়ালের পাশে মাটির নিচ থেকে বুধবার রাতে লাশ উদ্ধার করা হয়।
“কুপিয়ে আফরোজাকে হত্যা করে গর্ত করে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল। তার ডান বাহুতে ও মাথার পেছনে ৫টি কোপের জখম রয়েছে,” বলেন এসআই রেজিয়া।
এক বছর আগে আশরাফুল আলমের সঙ্গে আফরোজার বিয়ে হয়। এটা আশরাফুলের চতুর্থ বিয়ে। তার আগের স্ত্রীর ঘরেও সন্তান রয়েছে। আফরোজারও আগে আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। এসআই রেজিয়া বলেন, গত শুক্রবার রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে আফরোজাকে হত্যা করা হয়।
আশরাফুল এখনও পলাতক রয়েছে।
দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আশরাফুল একজন কানাডা প্রবাসী। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সে গত রোববার কানাডা চলে গেছে।”
