১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ: প্রেমিকসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে কৌশলে একটি বাসায় নিয়ে কিশোরীকে ছয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেন কয়েকজন।

কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ: প্রেমিকসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন
দণ্ডিত তিনজনকে সোমবার কারাগারে পাঠানো হয়, বাকি দুজন পলাতক রয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 28 Apr 2025, 06:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:36 PM

বছর ছয়েক আগে ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকায় এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তার প্রেমিকসহ পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ঢাকার ২ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. শাহাদত হোসেন এ আদেশ দেন।

দণ্ডিতরা হলেন- ইয়াসিন সরদার হৃদয়, তার বন্ধু ফাহাদ শেখ পিয়াল, দেলোয়ার হোসেন দেলু,  সুজন ও  উজ্জ্বল।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী হেলাল উদ্দিন বলেন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে প্রত্যেককে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

পিয়াল, সুজন ও উজ্জ্বলের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন বিচারক। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। অপরদিকে হৃদয় ও দেলোয়ার পলাতক রয়েছেন। তাদের ধরতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

মামলা বিবরণ অনুযায়ী, কথিত প্রেমিক হৃদয়ের সঙ্গে ২০১৯ সালের ২২ নভেম্বর শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় দেখা করতে যান সেই কিশোরী। সেসময় হৃদয় তাকে বন্ধু পিয়ালের বাসায় নিয়ে যান। এরপর কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আসামিরা তাকে ধর্ষণ করেন। কিশোরীকে আটকে রেখে ছয় দিন ধরে তারা ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে ২৭ নভেম্বর সেই কিশোরী কৌশলে পালিয়ে বাসায় ফেরেন। সেদিনই তার বাবা শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।

২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। পরের বছর ২০২১ সালে আসামিদের বিচার শুরু হয়। মামলার ১৭ সাক্ষীর মধ্যে পাঁচজনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় ঘোষণা করলেন বিচারক।