Published : 23 Jan 2026, 01:47 AM
নির্বাচনি প্রচারণার সময় ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লার ওপর হামলার চেষ্টার অভিযোগে চকবাজার থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছে দলটির নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার রাতে ধারালো অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করে পুলিশেও দিয়েছে তারা।
দুজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি স্বীকার করলেও ঘটনা ‘অন্যরকম’ বলে দাবি পুলিশের।
লালবাগ বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার তারেক মাহমুদ বলেন, গ্রেপ্তার দুজন জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আসেনি। অন্য জায়গায় চাঁদাবাজির পরিকল্পনা ছিল তাদের।
রাত এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চকবাজার থানার সামনে জড়ো হয়ে জামায়াতের নেতা কর্মীরা স্লোগান দিচ্ছিলেন।
নিজের নির্বাচনির প্রচারণার ফেইসবুক পেজে এক ভিডিওতে জামায়াত প্রার্থী এনায়েত অভিযোগ করেন, নির্বাচনি প্রচারের সময় ধারালো অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করেছেন তারা। একজন পালিয়ে গেছেন। দুজনকে আটকের সময় তারা বলেছে, ‘থানায় গেলে দেখাবে মজা’।
“আমরা তাদের থানায় দিয়েছি। কিন্তু থানার তৎপরতা খুব সন্তোষজনক মনে হচ্ছে না। আমি ওসি সাহেবকে বলেছি এটা খতিয়ে দেখতে যে, সে ওই কথা কেন বলল। থানায় তার কে আছে?"
ভিডিওতে আটক এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া বড় একটি ছুরি তুলে ধরে তিনি বলেন, "ইউনুস সরকারতো আমাদের বলেছিল একটি ফ্রি ও ফেয়ার ইলেকশন দেবে। এর মধ্যে আমাদের সহযোদ্ধা হাদীকে হত্যা করা হয়েছে। এই বড় বড় ছবিগুলো আসলে কিসের আলামত।"
তার এ অভিযোগের বিষয়ে রাত ১টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে লালবাগের উপ কমিশনার তারেক মাহমুদ বলেন, “ঘটনাটি একটু অন্যরকম।
“যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদেরকে একটি চাকুসহ স্থানীয় জনগণ পুলিশকে দিয়েছে। তারা জামায়াতের কাউকে আক্রমণ করার জন্য আসেনি। তারা মূলত এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা বা জোর করে টাকা আদায়ের চেষ্টায় ছিল।
"তারা তিনজন ছিল। দুইজন নিচে এবং একজন ১০ তলায় দোকানে রেকি করতে গিয়েছিল। দুইদিন ধরে তারা রেকি করছে। স্থানীয় লোকজন তাদের দুইদিন ধরে সেখানে দেখতে পেয়ে আজ জিজ্ঞেস করলে একজন পালিয়ে গেলেও অপর দুইজন চাকুসহ ধরা পড়ে।"
উপকমিশনার বলেন, "জামায়াতের লোকজন তাদের উপর হামলার চেষ্টার দাবি করলেও বিষয়টি ঠিক নয় বলে তাদের বোঝানো হচ্ছে।"