১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

কৃষি ব্যাংকের সাবেক সিবিএ নেতাকে ‘পিটিয়ে হত্যার’ অভিযোগ

পুলিশ বলছে, পুরনো বিরোধের জেরে বুধবার রাতে পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ‘অসুস্থ হয়ে’ মারা যান আব্দুল হালিম নামের ৬৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি।

ঢাকা মেডিকেল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Dec 2024, 04:37 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:09 AM

রাজধানীর মতিঝিলে কৃষি ব্যাংকের সাবেক এক সিবিএ নেতাকে ‘পিটিয়ে হত্যার’ অভিযোগ উঠেছে সাবেক সহকর্মীদের বিরুদ্ধে। 

পুলিশ বলছে, পুরনো বিরোধের জেরে বুধবার রাতে পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ‘অসুস্থ হয়ে’ মারা যান আব্দুল হালিম নামের ৬৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। 

কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন আব্দুল হালিম কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। সেখানে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলেও পরিবারের ভাষ্য। 

বুধবার রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে হালিমের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ তার লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সজীব কুমার সিং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। ওই প্রতিবেদনে তিনি লিখেছেন, "বুধবার রাতে পুরনো কলিগদের সাথে পূর্বের বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হয়। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তাকে রাত ১ টা ৪০ মিনিটের মৃত ঘোষণা করেন।”  

হালিমের ছেলে ফয়সাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেলের মর্গে সাংবাদিকদের বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি ছিলেন। তার সঙ্গে সম্পাদক হন নাসিম আহামেদ। 

এছাড়া আব্দুল হালিম বোয়ালখালি উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক ছিলেন বলেও তার ছেলের ভাষ্য। 

ফয়সাল বলছেন, কর্মচারী ইউনিয়নের পদসহ নানা বিষয় নিয়ে ইউনিয়নের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তার বাবার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে গত অক্টোবর মাসে থানায় একটি জিডিও করেছিলেন তার বাবা। 

“গত মঙ্গলবার রাতে বাবা ঢাকায় যান, বুধবার সকালে সেখানে একটি হোটেলে ওঠেন। পরে সংবাদ পাই আমার বাবাকে তার অফিস কলিগরা মারধর করে হত্যা করেছে।"

কৃষি ব্যাংক সিবিএর সেক্রেটারি নাসিম আহামেদ বলেন, "২০১৪ সালে সভাপতি নির্বাচিত হয় হালিম ভাই, আমি সাধারণ সম্পাদক। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি।

"গত ৫ অগাস্টের পর হঠাৎ করে বিনা নিবার্চনে মনগড়া একটা কমিটি বানিয়ে আমাদের ইউনিয়ন অফিস দখল করে। আমরা বিষয়টি নিয়ে মামলা করেছি। আদালত তাদের নোটিস দিয়ে কৈফিয়ত চেয়েছে । এসব নিয়ে বিরোধ চলছিল।"