ঢাকায় ফিরতে পেরে আনন্দিত: সারাহ কুক
ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসনের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।
নতুন দায়িত্ব নিয়ে ঢাকায় ফিরে খুশির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ নতুন ব্রিটিশ হাই কমিশনার সারাহ কুক।
রোববার ঢাকায় ব্রিটিশ হাই কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার আসার খবর দিয়ে এ প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়।
হাই কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পাওয়া এই কূটনীতিক বলেন, “ব্রিটিশ হাই কমিশনার হিসাবে ঢাকায় ফিরতে পেরে আমি আনন্দিত, অত্যন্ত আনন্দিত।”
এর আগে ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের(ডিএফআইডি) বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ছিলেন কুক।
ঢাকায় হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসনের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। ২০১৯ সালের মার্চ থেকে ঢাকা মিশনে দায়িত্ব পালন করে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন ডিকসন।
ফরেন অফিসে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া বিভাগের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালনের পর ঢাকায় হাই কমিশনার হয়ে এলেন সারাহ কুক।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া বিভাগের প্রধান হয়ে লন্ডনে ফেরার আগে সারাহ কুক ২০১৬থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তানজানিয়ায় ব্রিটিশ হাই কমিশনার ছিলেন।
২০০৫ সালে ডিএফআইডিতে যোগ দেন সারাহ কুক। সংস্থায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ, দুর্নীতিরোধী এবংঅনুদানের কার্যকারিতা বিষয়ক নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছেন তিনি।
ডিএফআইডিতে কাজ শুরুর আগে কমিশন ফর আফ্রিকা সেক্রেটারিয়েটের উপ-প্রধান এবং মন্ত্রিসভা বিভাগেপ্রধানমন্ত্রীর স্ট্র্যাটেজি ইউনিটের উপ-পরিচালকের দায়িত্ব সামলেছেন কুক।
এই পদে ‘এক্সট্রাক্টিভ ইন্ডাস্ট্রিজ ট্রান্সপারেন্সি ইনিশিয়েটিভ’সহ সরকারের বিভিন্ন কৌশলগত প্রকল্পে নেতৃত্ব দেনতিনি।
‘প্রাইসওয়াটারহাউসকুপারসে’ অর্থনৈতিক পরামর্শক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করা কুক গায়ানা এবং সলোমনদ্বীপপুঞ্জের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সারাহ কুকের পড়াশোনা অর্থনীতিতে, পরে তিনি উন্নয়ন অধ্যয়নে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের শক্তিশালী সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক থাকার কথা তুলে ধরেতিনি বলেন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন রকম অভিন্ন স্বার্থে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সরকারও জনগণের সঙ্গে নিবীড়ভাবে কাজ করে।
“আমি দীর্ঘ ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দুদেশের বিস্তৃতসহযোগিতাকে গভীর করতে উন্মুখ।”
