২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পলকের ঘাড়ে ‘সমস্যা’, হেলমেট না পরাতে চাইলেন আদালতের নির্দেশনা

এ সময় তিনি কত মামলার আসামি এবং কত দিন রিমান্ডে ছিলেন, তা আদালতের কাছে তুলে ধরেন।

পলকের ঘাড়ে ‘সমস্যা’, হেলমেট না পরাতে চাইলেন আদালতের নির্দেশনা
আদালতে জুনাইদ আহমেদ পলক।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Jul 2026, 03:32 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:30 PM

ঘাড়ের ‘সমস্যার’ থাকার কথা বলে হেলমেট না পরানোসহ আরও কিছু বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা চেয়েছেন সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। 

এ সময় তিনি কত মামলার আসামি এবং কত দিন রিমান্ডে ছিলেন, তা আদালতের কাছে তুলে ধরেন।

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে ট্রাক চালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার মামলায় রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ শুনানিতে কথা বলেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী। 

বিচারক রবিউল আলম পরে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়।

হোসেন হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আসামি ৩৪ জন। জুনাইদ আহমেদ পলক, মোহাম্মদপুর এলাকার সাবেক এমপি সাদেক খানসহ চার আসামি কারাগারে, ১০ আসামি জামিনে এবং শেখ হাসিনাসহ ২০ জন পলাতক রয়েছেন।

এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ও সাবেক এমপি সাদেক খানসহ তিনজনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে ফোরকান নামে এক আসামিকে আদালতে আনা হয়নি। এজন্য রাষ্ট্রপক্ষ থেকে শুনানি পেছানোর আবেদন করা হয়। 

আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৩ অগাস্ট অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন রেখেছেন বলে জানিয়েছেন পলকের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম।

জুনাইদ আহমেদ পলককে মাথায় হেলমেট, গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হাতে হাককড়া পরিয়ে এজলাসে তোলা হয়।

তার পক্ষে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি ‘প্রিভিলেন্স কমিউনিকেশন’ বা আইনি যোগাযোগের সুযোগ চেয়ে আবেদন করেন। সেখানে তিনজন আইনজীবীকে পলকের সাথে সাক্ষাৎ ও পরামর্শের সুযোগ চাওয়া হয়।

এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক। 

তিনি বলেন, “আমি গুরুতর অসুস্থ। আমার ঘাড়ে আঘাত রয়েছে। এমআরআই রিপোর্টে দুটি হাড় স্থানচ্যুত হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এ কারণে চিকিৎকের নির্দেশনা রয়েছে হেলমেট না পরার।”

তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ৯৮টি মামলা রয়েছে। ৮৯ দিন রিমান্ডে ছিলাম। তিন মামলার বিচার চলছে। আইসিটিতে (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) সাক্ষ্য চলছে। ১৫ দিনে মাত্র আধা ঘণ্টা পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাই। আইনজীবীদের সঙ্গে দুই সপ্তাহে দুই দিন অন্তত তিন ঘণ্টা করে বিশেষভাবে কথা বলার অনুমতি প্রার্থনা করছি।”